নির্ভীক বাংলা আসানসোল:
আট থেকে আশি সবার মুখে হাসি: পাণ্ডবেশ্বরে ঈদের আনন্দে সম্প্রীতির বার্তা ছড়ালেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
দীর্ঘ এক মাসের সংযম, ত্যাগ ও কৃচ্ছ্রসাধনের পর ফিরে এসেছে খুশির ঈদ। আর এই পবিত্র দিনেই রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সম্প্রীতির উৎসবে সামিল হলেন পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার জনপ্রতিনিধি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।
সকাল থেকেই পাঞ্জাবি পরে তাঁকে দেখা যায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে ঘুরে বেড়াতে। মানুষের সঙ্গে হাত মেলানো, প্রবীণদের প্রণাম করা এবং ছোটদের স্নেহে ভরিয়ে দেওয়ার মধ্যে দিয়েই তিনি ভাগ করে নেন ঈদের আনন্দ। ঘরে বসে না থেকে মানুষের টানেই তিনি বেরিয়ে পড়েন রাস্তায়, ছুটে বেড়ান পাণ্ডবেশ্বরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।
এদিন ছোট থেকে বড়—আট থেকে আশি, সবার মুখেই ছিল হাসি আর আনন্দের ছাপ। কোথাও প্রবীণদের সঙ্গে কোলাকুলি, কোথাও আবার যুবকদের সঙ্গে আন্তরিক আলাপচারিতায় মেতে উঠতে দেখা যায় তাঁকে। সাধারণ মানুষও বিধায়ককে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
এই পবিত্র উৎসব যে কেবল একটি ধর্মের নয়, বরং মিলন ও সম্প্রীতির—সেই বার্তাই আরও একবার তুলে ধরেন তিনি। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে এদিন যেন একসূত্রে বাঁধা পড়ে পাণ্ডবেশ্বর।
তিনি বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই ভ্রাতৃত্ব। পাণ্ডবেশ্বর সম্প্রীতির জায়গা। আমরা সারা বছর যেভাবে একসঙ্গে চলি, এই পবিত্র দিন সেই বন্ধনকে আরও মজবুত করে। আমি সকল ভাই-বোন ও মায়েদের ঈদের শুভেচ্ছা জানাই।”
পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি ঘরে—এই কামনাই সকলের। রাজনৈতিক লড়াই থাকবেই, কিন্তু উৎসবের দিনে মানুষই যে সবার আগে—সেই বার্তাই আজ পাণ্ডবেশ্বরের সর্বত্র পৌঁছে দিলেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।
ঈদের আনন্দে ভাসল গোটা বিধানসভা। সম্প্রীতির যে বীজ এদিন আরও দৃঢ়ভাবে রোপিত হল, তা যেন সারাবছর একইভাবে অটুট থাকে—এই আশাই এলাকাবাসীর। পাণ্ডবেশ্বর আবারও প্রমাণ করল—এখানে ঐক্যই শক্তি, উৎসবই পরিচয়।





