**
নির্ভীক বাংলা,গোপাল শীল দক্ষিণ 24 পরগনা
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে বিজেপির “পরিবর্তন সংকল্প সভা” থেকে চরম উসকানিমূলক ও হিংসাত্মক ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ শাসক দলের। যা ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, সভামঞ্চ থেকেই রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব সঞ্জয় দাস মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে “মুণ্ডচ্ছেদ” করার মতো ভয়ংকর মন্তব্য করেন। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দিলীপ ঘোষের সামনেই সঞ্জয় দাস মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করেন এবং বলেন, “এই ডাইনি বুড়ি পশ্চিমবাংলায় রাজত্ব করছে, তাকে মুণ্ডচ্ছেদ করার জন্য খরগো তুলে দেওয়া হয় ।” এমন মন্তব্য ঘিরে সভাস্থলেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ধরনের বক্তব্য শুধুমাত্র রাজনৈতিক শালীনতার সীমা লঙ্ঘন নয়, বরং সরাসরি হিংসায় উসকানি দেওয়ার সামিল।
এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ বাপি হালদার। তিনি বলেন, “বিজেপি বারবার বাংলায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। কখনও দেবদেবীর মূর্তি ভাঙা, কখনও উসকানিমূলক বক্তব্য—সবই পরিকল্পিত। বিশেষ করে কাকদ্বীপের মাটিতে দাঁড়িয়ে বাংলার আশা-ভরসা ও প্রেরণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুণ্ডচ্ছেদের মতো ভাষা ব্যবহার করা নিন্দনীয় ও ঘৃণ্য।”
বাপি হালদার আরও বলেন, “যখন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বাংলায় পেরে উঠতে পারছে না, তখন তারা এই ধরনের নরকোচিত মন্তব্যে নামছে। আমি প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যত দ্রুত সম্ভব এই ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।”
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাকদ্বীপসহ গোটা জেলায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।





