নিজস্ব সংবাদদাতা,নির্ভীক বাংলা,পশ্চিম বর্ধমান :
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী-র আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড় সামনে এসেছে। বুধবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগণার মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হামলাকারীরা বাইকে করে এসে দীর্ঘক্ষণ তাঁর গাড়ির পিছু নেওয়ার পর এক জায়গায় গাড়ি থামিয়ে গুলি চালায়।
ঘটনার তদন্তে নেমে মধ্যমগ্রাম থানা-র পুলিশ দমদমের আড়াই নম্বর গেট এলাকার একটি পরিত্যক্ত ও নোংরা জায়গা থেকে একটি সন্দেহজনক বাইক উদ্ধার করেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, এই বাইকটি হামলায় ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বাইকটির নম্বর পশ্চিম বর্ধমান জেলার হিরাপুর এলাকার বিভাস কুমার ভট্টাচার্য নামে এক ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত। তবে তদন্তকারীদের সন্দেহ, গাড়িটিতে ভুয়ো নম্বর প্লেট ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই বাইকের ইঞ্জিন ও চ্যাসিস নম্বর খতিয়ে দেখে প্রকৃত মালিকানা জানার চেষ্টা শুরু হয়েছে।
তদন্তে আরও জানা যায়, বাইকটির রেজিস্ট্রেশনে বার্নপুরের সেল আইএসপি কোয়ার্টার নম্বর AB 7/12, এবি টাইপ, নেপালি ধাওড়ার ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
এ বিষয়ে ওই কোয়ার্টারের বর্তমান বাসিন্দা ধরমবীর কুমার জানান, তিনি গত ১৪ বছর ধরে সেখানে বসবাস করছেন। এর আগে তিনি আসানসোলের ডলি লজে ভাড়ায় থাকতেন। বর্তমানে আইএসপির তরফে তাঁকে ওই কোয়ার্টার দেওয়া হয়েছে। তবে বিভাস কুমার ভট্টাচার্য নামে কাউকে তিনি চেনেন না বলেই দাবি করেন।
ধরমবীর কুমার বলেন, “আমি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে এখানে থাকছি। এই নামে কাউকে চিনি না। হামলায় ব্যবহৃত বাইকের সঙ্গেও আমার কোনও সম্পর্ক নেই।”
পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে তদন্ত জোরদার করেছে পুলিশ। হামলাকারীদের পরিচয়, ব্যবহৃত বাইকের প্রকৃত মালিকানা এবং ঘটনার পেছনের কারণ জানতে একাধিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





