শ্যাম দাস, আসানসোল
আসানসোল: শিল্পাঞ্চল জুড়ে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে নতুন আস্থা তৈরি করেছে আসানসোল জেলা হাসপাতাল। দূরারোগ্য ক্যান্সার থেকে শুরু করে শিশুদের ডায়বেটিস—মেডিক্যাল কলেজ ফেরত বহু রোগীকেও সফলভাবে চিকিৎসা করে সুস্থ করে তোলার নজির গড়ছে এই জেলা হাসপাতাল।
শনিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠকে হাসপাতালের সুপার ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাস জানান, “আমাদের চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। অনেক সময় মেডিক্যাল কলেজ থেকে ফেরত আসা জটিল রোগীরাও এখানে সুস্থ হচ্ছেন। তবে সামান্য কারণে কিছু রোগীর পরিবার হাসপাতাল ভাঙচুর করেন—এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। ভাঙচুর করার আগে একবার ভাবার অনুরোধ করছি।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এখানে বর্তমানে স্তন ক্যান্সার, গুটকা বা খৈনী সেবনের ফলে মুখগহ্বরের ক্যান্সার এবং সাম্প্রতিক সময়ে কোলন ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মহিলাদের স্তন ক্যান্সার ও মুখের ক্যান্সারের হার সর্বাধিক। পাশাপাশি শিশুদের থ্যালাসেমিয়া ও ডায়বেটিস রোগের ক্ষেত্রেও সফল চিকিৎসা করা হচ্ছে।
এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ অমিত মুখার্জি, অস্থি বিশেষজ্ঞ ডাঃ নির্ঝর মাজি, শল্য চিকিৎসক ডাঃ রুহুল আমিন ও ডাঃ অমিত গুপ্ত, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ রুদ্রনীল লাহিড়ী, ব্লাড ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক এবং সহকারী সুপার কঙ্কন রায়-সহ অন্যান্য চিকিৎসকরা।
সুপার ডাঃ দাস তাঁদের সকলের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জানান, শিল্পাঞ্চলবাসী ও পার্শ্ববর্তী জেলা-রাজ্যের মানুষের ভরসার কেন্দ্র হিসেবেই জেলা হাসপাতাল নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।





