মহেশ দে, নির্ভীক বাংলা,আসানসোল, পশ্চিমবঙ্গ: আসানসোল–এর চৌরঙ্গী থানা এলাকার দিল্লি–কলকাতা জাতীয় সড়কে প্রবেশ নিষেধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে ভয়াবহ যানজটের অভিযোগ উঠেছে। চালকদের দাবি, কুলটি ট্র্যাফিক পুলিশ প্রবেশ নিষেধের নির্দেশ দেখিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কয়লাবাহী ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহন আটকে রাখছে।
চালকদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁরা ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল)-এর বেঞ্জামারি কোলিয়ারি থেকে জামুড়িয়া, রানিগঞ্জ, দুর্গাপুর-সহ একাধিক শিল্পাঞ্চলে কয়লা সরবরাহ করেন। কোলিয়ারি এলাকা থেকে বেরোনোর সময় কোনও বাধা না থাকলেও জাতীয় সড়কে উঠতেই ট্র্যাফিক পুলিশ তাঁদের রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে দেয়। জানানো হয়, প্রবেশ নিষেধের সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত যান চলাচল করা যাবে না।
এর ফলে জাতীয় সড়কের উপর একের পর এক শতাধিক ট্রাকের লম্বা লাইন তৈরি হচ্ছে। শুধু দিল্লি–কলকাতা দিকেই নয়, কলকাতা–দিল্লি রুটেও একইভাবে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ। শিল্পাঞ্চলে পণ্য সরবরাহে দেরি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
চালকদের দাবি, গত প্রায় আট মাস ধরে এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে। আগে এমনভাবে যানবাহন আটকে রাখা হতো না। তাঁদের আরও অভিযোগ, অন্য রাজ্য থেকে আসা কিছু পরিবহণ যানবাহনকে নাকি এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়তে হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, এই রাস্তা জাতীয় সড়ক ১৯–এর অংশ, যা দিল্লি ও কলকাতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী করিডর হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন হাজার হাজার পণ্যবাহী যান এই রুট ব্যবহার করে।
চালকদের দাবি, প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে স্পষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করুক এবং একপাক্ষিকভাবে যানবাহন আটকানো বন্ধ করুক, যাতে প্রতিদিনের এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি মেলে।




