অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় গুরুতর আহত গৃহবধূ শম্পা রুইদাসের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল পাণ্ডবেশ্বরের হরিপুরে। শনিবার দুপুরে সিবিকিউর মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শম্পার মৃত্যু হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতেই শেষ হয়ে গেল এক তরুণীর জীবন। অভিযোগ ঘিরে মুহূর্তে থমকে যায় পরিবেশ, উত্তেজনা বাড়তেই আত্মীয়–স্বজনরা অবরোধে নামেন ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে। প্রায় কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে পড়ে যান চলাচল।
বীরভূমের ভীমগড়ের বাসিন্দা শম্পা ১৮ – ২০ দিন আগে বাড়িতে রান্না করার সময় উনুনের আগুনে দগ্ধ হন। দ্রুত তাকে সিউড়ির হাসপাতাল, পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হওয়ায় বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়, সঙ্গে দেওয়া হয় নিয়মিত প্রাথমিক পরিচর্যার নির্দেশ।
পরিবারের অভিযোগ, সেই নির্দেশ মেনেই গত শনিবার তাকে ভর্তি করা হয় হরিপুরের ওই বেসরকারি হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে চিকিৎসার ক্ষেত্রে মারাত্মক গাফিলতি হয়েছে বলেই দাবি পরিবারের।
তাদের ক্ষোভ, সঠিক চিকিৎসা হলে আজ শম্পা বাঁচত। দেড় বছরের শিশুটি এখন কার আশ্রয়ে বড় হবে?
বিক্ষোভ বাড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পাণ্ডবেশ্বর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শেষে অবরোধ ওঠে। এরপর হয় সমাধান বৈঠক।
অন্যদিকে হাসপাতালের দাবি, চিকিৎসায় ত্রুটি থাকলে পরিবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানাক। তদন্ত হলেই সত্য সামনে আসবে।





