নির্ভীক বাংলা ,আসানসোল:
ফের বড়সড় সাফল্য পেল আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট। সালানপুর থানার কল্যাণেশ্বরী নাকা পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে একটি মিনিবাস থেকে বিপুল পরিমাণ ঝাড়খণ্ড রাজ্যের অবৈধ লটারি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার পর পুলিশের একাংশের ভূমিকা নিয়েও উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।
শনিবার ঝাড়খণ্ডের মাইথনের কালীপাহাড়ি এলাকা থেকে আসানসোলের উদ্দেশ্যে আসছিল ‘কৃপাময়’ নামের একটি মিনিবাস (নম্বর: WB37C5476)। কল্যাণেশ্বরী নাকা পয়েন্টে পুলিশ বাসটিকে আটকে তল্লাশি চালালে পাঁচটি বড় বান্ডিল ভর্তি অবৈধ লটারি উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, এই লটারিগুলি আসানসোল সহ পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চলগুলোতে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
তদন্তে একটি প্রভাবশালী চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, গুড্ডু খান ও দীপক তেওয়ারী নামে দুই ব্যক্তি ঝাড়খণ্ড থেকে এই লটারি পাঠাতেন। আসানসোলে পল্টু সিং নামে এক ব্যক্তি সেই লটারি সংগ্রহ করে আসানসোল, জামুড়িয়া, রানীগঞ্জ ও দুর্গাপুরের বিভিন্ন ডিলারের কাছে সরবরাহ করতেন বলে অভিযোগ।
ঘটনায় বাসের চালক ও খালাসিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয়, ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নাকা পয়েন্টে কর্তব্যরত এক পুলিশ আধিকারিক বাজেয়াপ্ত লটারির ছবি তুলতে বাধা দেন এবং অনুমতি নিয়ে আসার কথা বলেন বলে অভিযোগ।
এই ঘটনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। কেন সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া হলো, তা নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।




