নির্ভীক বাংলা, দুর্গাপুর :
পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াল বিপুল পরিমাণ হ্যান্ডিক্রাফট আইডেন্টিটি কার্ড উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে।
লাউদোহার দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লক-এর গোগলা পঞ্চায়েত এলাকার পানশিউলি মোড় সংলগ্ন তৃণমূল বিধায়ক কার্যালয়ের সামনে থেকে উদ্ধার হয় বস্তাবন্দি অবস্থায় থাকা বহু Ministry of Textiles-এর হ্যান্ডিক্রাফট আইডেন্টিটি কার্ড। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উদ্ধার হওয়া বহু কার্ডে এলাকার সাধারণ মানুষের নাম রয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, নিজেদের নামে এ ধরনের কার্ড তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে তারা আগে কিছুই জানতেন না। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই কার্ডগুলি ব্যবহার করে কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যাংক ঋণ নেওয়া হয়েছিল কিনা। সেই আশঙ্কাতেই আতঙ্কে রয়েছেন বহু বাসিন্দা।
স্থানীয়দের একাংশ জানান, বিষয়টি নিয়ে বর্তমান পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে তিনি প্রধান ছিলেন না, তাই এ বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। এরপরেই ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা বিডিও অফিসে গিয়ে বিষয়টি জানার কথা ভাবছেন বলে জানান।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— এই কার্ডগুলি আদৌ বৈধ কিনা, কার নামে তৈরি হয়েছিল এবং কীভাবে একটি রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে এসে পড়ল। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে।
যদিও এখনও পর্যন্ত All India Trinamool Congress নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। স্থানীয়দের দাবি, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা হোক।
এদিকে স্থানীয় বিজেপি নেতা চন্দন দাস অভিযোগ করে বলেন, সাধারণ মানুষের অজান্তে তাঁদের নামে কার্ড তৈরি হওয়া প্রমাণ করে কীভাবে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা লুট হয়েছে। তাঁর দাবি, বিধায়ক কার্যালয় পরিষ্কারের সময়ই বস্তাবন্দি অবস্থায় ওই কার্ডগুলি উদ্ধার




