বাইজিদ মন্ডল, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা:
গ্রামীণ পিছিয়ে পড়া মহিলাদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্য নিয়ে একাধিক সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সোনারতরী ওম্যান এন্ড চাইল্ড ওয়েলফেয়ার ইনস্টিটিউশন। সংস্থার উদ্যোগে এবং কলকাতা লটারি ক্লাব-এর সহযোগিতায় আয়োজিত হয় বৃহৎ চক্ষু পরীক্ষা শিবির, চশমা বিতরণ ও ছাত্রছাত্রীদের সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত কয়েক বছর ধরে তারা গ্রামের পিছিয়ে পড়া মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ৪০টি মডেল পুষ্টি বাগান এবং ৯টি নিবিড় চাষের মডেল তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি মহিলাদের বিভিন্ন প্রকার জৈব সার তৈরির প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।
এদিনের শিবিরে প্রায় ২৩০ জন সাধারণ মানুষের চক্ষু পরীক্ষা করা হয় এবং ১৩০ জনকে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ করা হয়। এছাড়াও কলেজ ও স্কুলের ছাত্রীদের হাতে কম্পিউটার ও টেলারিং প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং স্বনির্ভরের সম্পাদক আসিস মন্ডল। তিনি ছাত্রীদের বজ্রপাত থেকে বাঁচতে করণীয় বিষয়েও সচেতন করেন।
সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অনাদি রঞ্জন হালদার জানান, কাকদ্বীপ ও কুলপি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে তাদের সংগঠন। মহিলাদের জীবিকা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ৫০ জন মহিলাকে উন্নত প্রযুক্তির হাঁস-মুরগি পালন এবং তার খাদ্য প্রস্তুত সংক্রান্ত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
আগামী দিনে আরও বৃহত্তর পরিসরে মহিলাদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। সংস্থার এই উদ্যোগে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে এবং সাধারণ মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।





