নির্ভীক বাংলা,পশ্চিম বর্ধমান: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের ১২ বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ উপলক্ষে বর্ধমানের রবীন্দ্রভবনে আয়োজিত তিনদিনব্যাপী প্রদর্শনী, প্রবন্ধ সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি ঘটল। “বিকশিত ভারত, উন্নয়ন ও জনকল্যাণের ১২ বছর” শীর্ষক এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রদর্শনী শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান ছিল না, বরং উন্নত ও আত্মনির্ভর পশ্চিমবঙ্গ গঠনের স্বপ্নকে সামনে রেখে একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের শক্তিশালী, সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ এবং উন্নয়নমুখী পশ্চিমবঙ্গ গঠনের বার্তাও এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।
আয়োজকদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গত ১২ বছরে দেশের উন্নয়নের যে ধারা তৈরি হয়েছে, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গও সেই উন্নয়নের মূল স্রোতে আরও শক্তিশালীভাবে যুক্ত হবে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. সুভাষ সরকার, বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি-সহ সমাজজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
১৫ জুন অনুষ্ঠিত প্রবন্ধ সম্মেলনে ড. সুভাষ সরকার, ড. অজয় পোদ্দার, ড. বিজন মুখার্জি এবং পার্থ ঘোষ দেশের উন্নয়ন, শিক্ষা, সংস্কৃতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
তিনদিন ধরে চলা এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষ, ছাত্র-যুব, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, মহিলা-সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। প্রদর্শনীর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও দর্শকদের আকর্ষণ করে। দেশাত্মবোধক সংগীত, নৃত্য, নাট্যাংশ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে জাতীয় চেতনা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরা হয়।
আয়োজকদের মতে, এই অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গের নতুন যাত্রার প্রতীক হয়ে থাকবে এবং উন্নত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভর পশ্চিমবঙ্গ গঠনের লক্ষ্যে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।
অনুষ্ঠান সফল করতে সহযোগিতার জন্য অতিথি, বক্তা, শিল্পী, কলাকুশলী, স্বেচ্ছাসেবক, প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আয়োজকরা।




