শ্যাম দাস, নির্ভীক বাংলা,
আসানসোল, পশ্চিমবঙ্গ:
অবৈধ কয়লা পাচার মামলায় বড়সড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডির একটি দল আসানসোল–রানিগঞ্জের বখতারনগর এলাকা থেকে চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খান—এই দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। সূত্রের খবর, সম্পর্কে চিন্ময় মণ্ডল কিরণ খানের মামা।
ইডি সূত্রে জানা গেছে, কিরণ খান মূলত বালির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এলাকায় তিনি বালির ব্যবসার ‘বেতাজ বাদশাহ’ হিসেবেই পরিচিত। তাঁর নামে চার থেকে পাঁচটি বালি ঘাট রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বৈধ ব্যবসার পাশাপাশি তিনি অবৈধ উপায়েও বালি উত্তোলন করতেন বলে অভিযোগ। একইসঙ্গে তিনি তাঁর মামা চিন্ময় মণ্ডলের অবৈধ ব্যবসায় সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করতেন।
সূত্রের দাবি, চিন্ময় মণ্ডল আসানসোল এলাকায় অবৈধ কয়লা, বালি ও পাথর খাদান ব্যবসার অন্যতম মাথা। বৈধ হোক বা অবৈধ—প্রায় সব ধরনের ব্যবসাতেই তাঁর আর্থিক বিনিয়োগ রয়েছে বলে অভিযোগ। এই সমস্ত কর্মকাণ্ডে কিরণ খান তাঁর সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।
এছাড়াও সূত্রের খবর, কয়লা ব্যবসায়ী জয়দেব খান সম্পর্কে চিন্ময় মণ্ডলের ভাগ্নে এবং কিরণ খানের দূর সম্পর্কের ভাই। ফলে ইডির চলমান অবৈধ কয়লা পাচার সংক্রান্ত তদন্তে মামা–ভাগ্নে সম্পর্কের সূত্র ধরেই চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খানের গ্রেপ্তারি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই গ্রেপ্তারির ঘটনায় অবৈধ কয়লা পাচারের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। উল্লেখ্য, এই মামলার তদন্তে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডল-কেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডি তলব করেছিল, যদিও তিনি হাজির হননি। তবে কয়েকদিন আগে আসানসোলে ইডির অভিযানের সময় বুদবুদ থানার ওসির বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল।
এমন পরিস্থিতিতে তদন্তের আওতায় আরও বেশ কয়েকজন কয়লা ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকা





