নির্ভীক বাংলা,শ্যাম দাস, কুলটি | ১ জুন
১৯ নং জাতীয় সড়কে (এনএইচ-১৯) ক্রমবর্ধমান পথ দুর্ঘটনা রোধে বিশেষ উদ্যোগ নিতে চলেছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এবং পরিবহণ দফতর। দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সোমবার বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত সংলগ্ন ডুবুরডিহি চেকপোস্ট এলাকায় যৌথ পরিদর্শন করেন আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি (ট্রাফিক) পি.ভি.জি. সতীশ-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং মোটর ভেহিকেলস (এমভিআই) বিভাগের আধিকারিকরা।
পরিদর্শনের পর ডিসিপি (ট্রাফিক) পি.ভি.জি. সতীশ জানান, ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে অথরিটি এবং পরিবহণ দফতরের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করছেন। যেসব এলাকায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে অথবা যেখানে পরিকাঠামোগত ত্রুটি রয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি প্রিয়াংশু সিং বলেন, দুর্ঘটনার হার বেশি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তায় নতুন সাইনেজ বসানো, যান চলাচল আরও সুগম করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, বরাকর-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ ধাপে ধাপে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পানাগড় পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
পরিদর্শনের সময় ডুবুরডিহি চেকপোস্ট-সহ জাতীয় সড়কের একাধিক দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কোথায় কী ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সুপারিশও করা হয়েছে।
প্রশাসনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা এবং ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও দুর্ঘটনামুক্ত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।





