Nirbhik Bangla
पश्चिम बर्धमान

পরিবেশ রক্ষায় অনন্য দৃষ্টান্ত: বিসর্জনের পরেই ঝকঝকে শিল্পাঞ্চলের পুকুর ও নদীঘাটগুলি

নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
23 अक्टूबर 2026 को 08:34 am बजे
WhatsApp
পরিবেশ রক্ষায় অনন্য দৃষ্টান্ত: বিসর্জনের পরেই ঝকঝকে শিল্পাঞ্চলের পুকুর ও নদীঘাটগুলি
আসানসোল : কথা রাখলেন রাজ্যের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব। দুর্গোৎসবের আনন্দ ও উল্লাসের রেশ কাটতেই এবার পরিবেশ রক্ষায় ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নজিরবিহীন তৎপরতা দেখা গেল সমগ্র শিল্পাঞ্চল জুড়ে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালেই বার্তা দেওয়া হয়েছিল, এবারের পুজো হতে হবে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এবং প্রকৃতিকে রক্ষা করাই হবে আমাদের প্রধান ব্রত। শুধু পুজো উদ্যোক্তারা একা নন, এর পেছনে সরকারের পক্ষ থেকেও যে সুনির্দিষ্ট দায়বদ্ধতা রয়েছে, তা আবারও প্রমাণ করলেন জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাব্যক্তিরা।

উৎসবের দিনগুলিতে শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি প্রতিমা নিরঞ্জনের পর যাতে স্থানীয় পুকুর বা অন্যান্য জলাশয়গুলি কোনোভাবেই প্লাস্টিক, থার্মোকল ও অন্যান্য অবশিষ্টাংশে দূষিত না হয়, সে বিষয়ে আগে থেকেই কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে। সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তব রূপ দেখা গেল আসানসোল ও কুলটি সহ পুরো শিল্পাঞ্চল জুড়ে। আসানসোল শহরের বিভিন্ন জলাশয়ে প্রতিমা নিরঞ্জনের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মূর্তির কাঠামো, খড় এবং অন্যান্য পুজো সামগ্রী জল থেকে তুলে নেওয়ার কাজ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুরু করে দেয় আসানসোল পৌর নিগম।

দেবী বিসর্জনের পরপরই পুকুর ঘাট ও নদী ঘাটগুলি পরিষ্কার করার এই মহাযজ্ঞে নেমে পড়েন প্রশাসনের অদম্য কর্মীরা। রাজ্য সরকারের সামগ্রিক পরিবেশবান্ধব নির্দেশিকা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তার অঙ্গ হিসেবে কুলটি বিধানসভা এলাকা জুড়েও জোরকদমে শুরু হয় এই বিশেষ সাফাই অভিযান। কুলটির স্থানীয় বিধায়ক তথা বিশিষ্ট নেতৃত্বের সঠিক দিশা-নির্দেশ ও নিরলস তৎপরতায় এলাকার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পুকুর ও ঘাট পরিষ্কারের কাজ ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

শুক্রবার সকাল থেকেই আসানসোল পৌর নিগমের সাফাই কর্মীরা কুলটির বিভিন্ন প্রান্তে কোমর বেঁধে নেমে পড়েন পরিচ্ছন্নতার কাজে। এমনই এক প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয় চিত্র ধরা পড়েছে কুলটির ব্যস্ততম নিয়ামতপুর এলাকার সরকার পুকুর ঘাটে। পুজোর জমানো আবর্জনা, পুজোয় ব্যবহৃত ফুল, বেলপাতা, ফল এবং প্রতিমার কাঠামোর অবশিষ্টাংশ দ্রুত সরিয়ে নিয়ে ঘাটগুলিকে আগের স্বাভাবিক ও পরিচ্ছন্ন অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে একেবারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়।

প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপ এবং পৌর নিগমের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমে স্বাভাবিকভাবেই বেজায় খুশি স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও পরিবেশপ্রেমীরা। দ্রুত ঘাটগুলি পরিষ্কার করে ফেলায় জলাশয়ের জল মারাত্মক দূষণের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এবং খুব শীঘ্রই ঘাটগুলি আবার সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষায় প্রশাসনের এই সময়োপযোগী ও proactive উদ্যোগকে একবাক্যে সাধুবাদ জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন শ্যাম দাস।
टैग:Nirbhikbangla
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
12 टिप्पणियां