Nirbhik Bangla
राष्ट्रीय

কয়লা পাচার মামলায় অনুপ মাজি ওরফে লালাকে সুপ্রিম কোর্টের ধাক্কা, ইডিকে হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত কয়লা পাচার মামলায় মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। Supreme Court of India ইডিকে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমত...

Abdul Haque
Abdul Haque
17 जून 2026 को 05:36 pm बजे
WhatsApp
কয়লা পাচার মামলায় অনুপ মাজি ওরফে লালাকে সুপ্রিম কোর্টের ধাক্কা, ইডিকে হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি
कोलकाता: पश्चिम बंगाल के बहुचर्चित कोयला तस्करी मामले के मुख्य आरोपी अनुपम माजी उर्फ ​​लाला बदी कानूनी मुसीबत में फंस गये हैं. भारत का सर्वोच्च न्यायालय|निर्भीक बांग्ला फोटो

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত কয়লা পাচার মামলায় মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। Supreme Court of India ইডিকে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছে। এই নির্দেশের ফলে প্রথমবারের মতো Enforcement Directorate (ইডি) লালাকে নিজেদের কাস্টডিতে নিয়ে বিস্তারিত জেরা করতে পারবে। সুপ্রিম কোর্টের রায় ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নাগাদ দেওয়া নির্দেশে শীর্ষ আদালত লালার প্রাপ্ত আগের আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করে ইডিকে কাস্টডিয়াল জেরার অনুমতি দেয়। এর আগে গ্রেফতার বা হেফাজতে নেওয়া নিয়ে আইনি জটিলতা থাকলেও, এখন তদন্তে বড় অগ্রগতি সম্ভব বলে মনে করছে সংস্থা। মামলার পটভূমি তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলা Eastern Coalfields Limited (ইসিএল)-এর খনি এলাকায় ব্যাপক অবৈধ কয়লা উত্তোলন, চুরি ও পাচারের সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ, লালার নেতৃত্বে একটি সংগঠিত চক্র কাজ করত, যেখানে কয়েকজন আধিকারিকের যোগসাজশও ছিল। তদন্তে প্রায় ২৭০০ কোটিরও বেশি টাকার অবৈধ লেনদেনের ইঙ্গিত মিলেছে। “লালা প্যাড” নামে ভুয়ো পরিবহন চালান ব্যবহার করে কোডিং পদ্ধতিতে লেনদেন করা হতো বলেও অভিযোগ। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও গ্রেফতার ইডি সম্প্রতি লালা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের প্রায় ১০০.৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তি অস্থায়ীভাবে বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে বেনামি সংস্থা, জমি ও মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে। মোট বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ ৩২২ কোটিরও বেশি বলে জানা গেছে। এই মামলায় লালার ঘনিষ্ঠ সহযোগী চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া জয়দেব মণ্ডল, গুরুপদ, নীরোদ ও বিনয় মিশ্রসহ একাধিক ব্যক্তির নাম তদন্তে উঠে এসেছে। অভিযোগ, পাচারের অর্থ রিয়েল এস্টেটসহ বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছিল। লালার উত্থান অনুপ মাজির বাড়ি পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুর এলাকায়। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে প্রথমে মাছের ব্যবসা করতেন। পরে সালানপুর এলাকায় এসে কথিতভাবে কয়লা পাচারের চক্রে যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে এই নেটওয়ার্কের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন। এরপর কী সুপ্রিম কোর্টের অনুমতির পর ইডি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পাচার চক্র, হাওলা লেনদেন ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক যোগসূত্রের দিকগুলি খতিয়ে দেখতে পারে। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপকে কয়লা মাফিয়া চক্রের বিরুদ্ধে তদন্তে ইডির একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Abdul Haque
Abdul Haque

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
12 टिप्पणियां