নির্ভীক বাংলা,বাঁকুড়া: জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা—মাধ্যমিক। একদিকে পরীক্ষার চাপ, অন্যদিকে মৃত্যুভয়ের আশঙ্কা। বাঁকুড়ার কালপাইনি সহ একাধিক জঙ্গলঘেরা গ্রামের পরীক্ষার্থীদের কাছে পরীক্ষার থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ এখন নিরাপদে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো। কারণ, বাড়ি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার ৩–৪ কিলোমিটার দীর্ঘ জঙ্গলপথে ওঁত পেতে রয়েছে হাতির দল। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, নজির ভেঙে এবছর প্রথম বন দফতর তাদের নিরাপত্তার জন্য কোনও উদ্যোগই নেয়নি। ভিজ্যুয়াল: জঙ্গলপথ একা একা/দল বেঁধে হাঁটতে থাকা পরীক্ষার্থীরা আতঙ্কিত অভিভাবকদের মুখ বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন জঙ্গলে বর্তমানে ৩৩টি হাতি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মাঝেমধ্যেই খাবারের সন্ধানে তারা জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। বাড়িঘর ভাঙচুর, কৃষিজমিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় বন দফতরের তরফে গাড়ির ব্যবস্থা, হুলা পার্টি ও বনকর্মী মোতায়েন করা হতো। কিন্তু অভিযোগ, এবছর কালপাইনি সহ বড়জোড়া ব্লকের একাধিক জঙ্গলঘেরা গ্রামে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য কোনও ব্যবস্থাই করা হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই পরীক্ষার্থীরা নিজেরাই ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গলপথ পেরিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে। আতঙ্কে দিন কাটছে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক—দু’পক্ষেরই। বাইট – পরীক্ষার্থী: “ভয় তো আছেই… সকালে বেরোবার সময় জানি না পথে হাতি পড়বে কিনা।” বাইট – পরীক্ষার্থী: “পরীক্ষার টেনশনের থেকেও বেশি চিন্তা হচ্ছে রাস্তায় কী হবে সেটা নিয়ে।” বাইট – অভিভাবক: “বাচ্চাকে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পাঠাতে খুব ভয় লাগছে। বন দফতর যদি একটু ব্যবস্থা করত…” এ বিষয়ে বন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চায়নি। বাইট – জয়ন্ত ঘোষ (বিট আধিকারিক, শীতলা বিট): [বাইট] তবে স্থানীয় বিধায়ক বন দফতরের গাফিলতির অভিযোগ মানতে নারাজ। বাইট – অলোক মুখোপাধ্যায় (বিধায়ক, বড়জোড়া): “হাতি উপদ্রুত এলাকার পরীক্ষার্থীদের নিরাপদে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য জেলা প্রশাসন সবরকম ব্যবস্থা করেছে। কোথাও যদি কোনও সমস্যা হয়ে থাকে, তা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।” আর কয়েক মাস পর বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই মাধ্যমিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জঙ্গলঘেরা গ্রামগুলিতে এই নিরাপত্তা ঘাটতি নতুন করে প্রশ্ন তুলছে প্রশাসনের প্রস্তুতি নিয়ে। ওয়াক থ্রু: জঙ্গলঘেরা গ্রাম থেকে পরীক্ষাকেন্দ্র—হাতির আতঙ্ক মাথায় নিয়েই জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসতে বাধ্য হচ্ছে বাঁকুড়ার এই পড়ুয়ারা।
राज्य
জঙ্গলপথে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা
নির্ভীক বাংলা,বাঁকুড়া: জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা—মাধ্যমিক। একদিকে পরীক্ষার চাপ, অন্যদিকে মৃত্যুভয়ের আশঙ্কা। বাঁকুড়ার কালপাইনি সহ একাধিক জঙ্গলঘেরা গ্রামের পরীক্ষার্থীদের কাছে পরীক...

निडर बंगाली:
जीवन की पहली बड़ी परीक्षा-माध्यमिक. एक तरफ परीक्षा का तनाव तो दूसरी तरफ मौत का डर। कल्पैष्णी सहित बांदी गांव के कई प्रत्याशी मित्र हैं|निर्भीक बांग्ला फोटो
