Nirbhik Bangla
राज्य

नौकरी जाने का तनाव या पारिवारिक विवाद? रामपुरहाट में वृष्टि मुखर्जी की रहस्यमय मौत

নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
2 सितंबर 2026 को 12:25 pm बजे
WhatsApp
नौकरी जाने का तनाव या पारिवारिक विवाद? रामपुरहाट में वृष्टि मुखर्जी की रहस्यमय मौत
Nirbhik Bangla Photo

বীরভূম জেলার রামপুরহাটে এক মর্মান্তিক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয় হিসেবে পরিচিত বৃষ্টি মুখার্জির ঝুলন্ত দেহ তাঁর বাসভবন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই আকস্মিক মৃত্যু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটে ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর সকালে, রামপুরহাট থানা এলাকার কুসুম্বা গ্রামে তাঁর নিজ বাড়িতে প্রায় সকাল ৯টার দিকে। বাড়ির দোতলার একটি ঘর থেকে বৃষ্টি মুখার্জির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা সঙ্গে সঙ্গে রামপুরহাট থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত বৃষ্টি মুখার্জি হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুতো দাদা নিহার মুখার্জির কন্যা। এই হাই-প্রোফাইল পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, রাজ্যের সাম্প্রতিক প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতি মামলায় বৃষ্টি মুখার্জির নামও জড়িয়েছিল। অভিযোগ ছিল যে তিনি অনিয়মিত বা অনুপযুক্ত উপায়ে তাঁর শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশ ও তদন্তের জেরে তিনি চাকরি হারান। চাকরি হারানোর ফলে যে মানসিক চাপ ও পেশাগত বিপর্যয় তৈরি হয়েছিল, তা তাঁর মৃত্যুর পেছনে কোনো ভূমিকা পালন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

পাশাপাশি, পুলিশ তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের অশান্তির দিকটিও এড়িয়ে যাচ্ছে না। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি বৃষ্টি মুখার্জি ও তাঁর স্বামীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল এবং তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়াও চলছে। এই মানসিক অবসাদও আত্মহত্যার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সুইসাইড নোট বা তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো লিখিত বার্তা উদ্ধার করা হয়নি। ফলে, তিনি কেন এই চরম পথ বেছে নিলেন, তার আসল কারণ নিয়ে কুয়াশা কাটেনি। পুলিশ তাঁর পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্পূর্ণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার এবং পারিপার্শ্বিক প্রমাণ যাচাই করার পরেই মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

टैग:File photo
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
12 टिप्पणियां