निर्भीक बांग्ला, श्याम दास, आसनसोल: भाजपा के 'लाभार्थी संपर्क अभियान' की संगठित बैठक में एक व्यक्ति की उपस्थिति को लेकर शनिवार को आसनसोल के रवींद्र भवन में हंगामा हो गया। उस व्यक्ति को जामुरिया का बताया जा रहा है...
निर्भीक बांग्ला, श्याम दास, आसनसोल: भाजपा के 'लाभार्थी संपर्क अभियान' की संगठित बैठक में एक व्यक्ति की उपस्थिति को लेकर — विस्तृत समाचार पढ़ें निर्भीक बांग्ला पर।|निर्भीक बांग्ला फोटो

নির্ভীক বাংলা,শ্যাম দাস, আসানসোল: বিজেপির ‘লাভার্থী সম্পর্ক অভিযান’-এর সাংগঠনিক সভায় এক ব্যক্তির উপস্থিতিকে ঘিরে শনিবার আসানসোলের রবীন্দ্র ভবনে চাঞ্চল্য ছড়ায়। ওই ব্যক্তিকে জামুড়িয়া মণ্ডল-৪-এর ‘কয়লা মাফিয়া’ বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেত্রী নাজনীন সাবিয়া।
এদিন রবীন্দ্র ভবনে বিজেপির পক্ষ থেকে ‘লাভার্থী সম্পর্ক অভিযান’-এর কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি, বারাবনির বিধায়ক অরিজিৎ রায়, জামুড়িয়ার বিধায়ক বিজন মুখোপাধ্যায়, আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় এবং বিজেপির জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য-সহ দলের একাধিক নেতা।
বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা কীভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে দলীয় কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়াই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
তবে সভার মধ্যেই এক ব্যক্তির উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি ওঠে। বিজেপি নেত্রী নাজনীন সাবিয়ার দাবি, জামুড়িয়া মণ্ডল-৪-এর এমডি আনোয়ার নামে এক ব্যক্তি বারাবনির নামে রেজিস্টার্ড একটি কার্ড পরে সভায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, এটি সাধারণ কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট একটি সাংগঠনিক বৈঠক এবং সেখানে নির্দিষ্ট পদাধিকারী ও অনুমোদিত কর্মীদেরই উপস্থিত থাকার কথা।
নাজনীন সাবিয়ার বক্তব্য, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে ব্যাজ ও নথিপত্র নিয়ে তাঁকে সভা থেকে বের করে দেন। তাঁর দাবি, বিজেপি কোনওভাবেই সিন্ডিকেট বা মাফিয়াচক্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রশ্রয় দেবে না।
তবে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা ‘কয়লা মাফিয়া’ সংক্রান্ত অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্যও এখনও পাওয়া যায়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির সাংগঠনিক কর্মসূচির মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সভায় অননুমোদিত পরিচয়পত্র নিয়ে ওই ব্যক্তি কীভাবে প্রবেশ করলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।