Nirbhik Bangla
प्रौद्योगिकी

সাহস থাকলে রাজনৈতিক–গণতান্ত্রিক লড়াই করুন”—দিল্লি থেকে কমিশন ও বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

“ নয়াদিল্লি: “সাহস থাকলে রাজনৈতিক এবং গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করুন”—দিল্লির চাণক্যপুরীতে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে একযোগে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তৃণমূল সভানেত্র...

Abdul Haque
Abdul Haque
3 जून 2026 को 03:36 pm बजे
WhatsApp
সাহস থাকলে রাজনৈতিক–গণতান্ত্রিক লড়াই করুন”—দিল্লি থেকে কমিশন ও বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
" नई दिल्ली: "हिम्मत है तो राजनीतिक और लोकतांत्रिक तरीके से लड़ें" - दिल्ली के चाणक्यपुरी में प्रेस कॉन्फ्रेंस से चुनाव आयोग और बीजेपी एक साथ|निर्भीक बांग्ला फोटो

“ নয়াদিল্লি: “সাহস থাকলে রাজনৈতিক এবং গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করুন”—দিল্লির চাণক্যপুরীতে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে একযোগে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তৃণমূল সভানেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর (SIR) ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মঙ্গলবার এই সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কালো পোশাক পরে উপস্থিত ছিলেন এসআইআর-এ ক্ষতিগ্রস্তদের পরিজনেরা। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “এসআইআর-এর নামে যেভাবে মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে, তাতে তারা কোথায় যাবে? কার কাছে অভিযোগ করবে? আমি পরপর ছ’টি চিঠি দিয়েছি। কোনও জবাব পাইনি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও মানা হচ্ছে না।” কমিশন ও বিজেপিকে এক বন্ধনীতে রেখে আক্রমণ শানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দিল্লিতে কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে এলে দিল্লি পুলিশ দিয়ে তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, “এআই-এর অপব্যবহার করা হচ্ছে। লজিক্যাল ডিসক্রেপিন্সির নামে জীবিত মানুষকেও মৃত ঘোষণা করা হচ্ছে। বহু যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়ছে।” এদিন সাংবাদিকদের সামনে এমন তালিকাও তুলে ধরা হয়, যেখানে মৃত হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিরা স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, “দু’বছরের কাজ কেন দু’মাসে শেষ করতে হবে? কেন সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হবে? যাঁরা মারা গেলেন, তাঁদের দায়িত্ব কে নেবে?” পাশাপাশি সোমবার বঙ্গভবনে তল্লাশির নামে দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও এদিন সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, সোমবার সকাল থেকেই বঙ্গভবনের সামনে দিল্লি পুলিশের অস্বাভাবিক তৎপরতা দেখা যায়। পুরো এলাকা কার্যত ঘিরে ফেলা হয় এবং ভিতরেও তল্লাশি চালানো হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরাও মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের সমর্থন করেন। এসআইআর ইস্যুকে কেন্দ্র করে এই সাংবাদিক সম্মেলনের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Abdul Haque
Abdul Haque

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
12 टिप्पणियां