जीवन शैली
আসানসোলের সভা থেকে পরিবর্তনের ডাক, শিল্প ফেরানোর প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর
https://youtu.be/c8-Tqv7PR5w?si=nys03P6G3UerBhuoনির্ভীক বাংলা,আসানসোল, ৯ এপ্রিল : পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের পোলো গ্রাউন্ডে আয়োজিত ‘বিজয় সংকল্প সভা’ থেকে রাজ্যের শাসক দলকে তীব্...

https://youtu.be/c8-Tqv7PR5w?si=nys03P6G3UerBhuonirbhikBangla, आसनसोल, 9 अप्रैल: पश्चिम बर्दवान जिले के आसनसोल के पोलो ग्राउंड में 'विजय' का आयोजन किया गया।|निर्भीक बांग्ला फोटो
https://youtu.be/c8-Tqv7PR5w?si=nys03P6G3UerBhuoনির্ভীক বাংলা,আসানসোল, ৯ এপ্রিল : পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের পোলো গ্রাউন্ডে আয়োজিত ‘বিজয় সংকল্প সভা’ থেকে রাজ্যের শাসক দলকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। বক্তব্যের শুরুতেই মা কল্যাণেশ্বরী ও মা ঘাঘর বুড়িকে প্রণাম জানিয়ে তিনি বাংলার পরিবর্তনের ডাক দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোটা বাংলা আজ পরিবর্তনের জন্য ছটফট করছে।” তাঁর ভাষণে বারবার উঠে আসে আসানসোলের হারানো শিল্পগৌরব পুনরুদ্ধার এবং সিন্ডিকেট-মুক্ত প্রশাসনের কথা।
আসানসোলের অতীত গৌরবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একসময় এই শিল্পাঞ্চল সাইকেল, কাঁচ, অ্যালুমিনিয়াম ও কয়লা শিল্পের জন্য সারা দেশে পরিচিত ছিল। কর্মসংস্থানের টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুবকরা এখানে আসতেন। কিন্তু বর্তমানে সেই চাকা থমকে গেছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর আশ্বাস, বিজেপি সরকার এলে আসানসোলকে আবার শিল্পনগরীর মর্যাদায় ফিরিয়ে আনা হবে এবং কয়লা-বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা হবে।
রাজ্যের শাসক দল All India Trinamool Congress-কে সরাসরি আক্রমণ করে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাকে পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার লুট করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, বাম ও তৃণমূলের শাসনে রাজ্যের অর্থনৈতিক অবনতি ঘটেছে।
শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মাধ্যমে আসানসোল-দুর্গাপুর অঞ্চলে বড় বিনিয়োগ আনা হবে। ৪৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ, গ্যাস পাইপলাইন সংযোগ, Vande Bharat Express ট্রেনের সুবিধা এবং অমৃত ভারত প্রকল্পে আসানসোল স্টেশনের আধুনিকীকরণের কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি ইএসআই হাসপাতালকে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, আসানসোল ও দুর্গাপুরকে মিলিয়ে একটি ‘মেগা সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে সন্দেশখালির ঘটনা তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সরকার এলে সীমান্ত আরও সুরক্ষিত করা হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, “পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তাঁর মতে, এই নির্বাচন শুধু সরকার পরিবর্তনের নয়, বরং বাংলার নিরাপত্তা ও শিল্পোন্নয়নের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের লড়াই।
