Nirbhik Bangla
Paschim Bardhaman

ইডির তল্লাশি সত্ত্বেও পশ্চিম বর্ধমানে বেপরোয়া বালি মাফিয়া, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন

নির্ভীক বাংলা, শ্যাম দাস,দুর্গাপুর/আসানসোল: গত মঙ্গলবার ভোররাতে গোটা পশ্চিম বর্ধমান জুড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)-এর ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়...

Abdul Haque
Abdul Haque
June 8, 2026 at 07:36 PM
WhatsApp
ইডির তল্লাশি সত্ত্বেও পশ্চিম বর্ধমানে বেপরোয়া বালি মাফিয়া, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন
নির্ভীক বাংলা, শ্যাম দাস,দুর্গাপুর/আসানসোল: গত মঙ্গলবার ভোররাতে গোটা পশ্চিম বর্ধমান জুড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরে|Nirbhik Bangla Photo
নির্ভীক বাংলা, শ্যাম দাস,দুর্গাপুর/আসানসোল: গত মঙ্গলবার ভোররাতে গোটা পশ্চিম বর্ধমান জুড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)-এর ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। অবৈধ কয়লা ও বালি পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে পশ্চিম বর্ধমান ছাড়াও পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া সহ রাজ্য ও ভিনরাজ্যের একাধিক জায়গায় একযোগে অভিযান চালায় ইডি। পানাগড়, পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর, রানিগঞ্জ ও জামুরিয়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। এই অভিযানে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পানাগড় এলাকায় অবস্থিত “কে কে মিনারাল প্রাইভেট লিমিটেড”-এর কার্যালয় ঘিরে ম্যারাথন তল্লাশি চলে। সংস্থার সঙ্গে যুক্ত অংশীদারদের বাড়ি ও অফিসেও অভিযান চালানো হয়। কিন্তু বিস্ময়করভাবে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম কুখ্যাত বালি মাফিয়া ভিখারি গৌতম-এর পানাগড়–ইলামবাজার রোড সংলগ্ন বাসভবন, অফিস, হোটেল, রেস্তোরাঁ, পেট্রোল পাম্প, স্কুল—কোনও জায়গাতেই ইডির তল্লাশি হয়নি। তা নিয়ে শিল্পাঞ্চল জুড়ে চাপা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তাঁর প্রভাব এতটাই শক্তিশালী যে কেন্দ্রীয় সংস্থাও ধরাছোঁয়ার বাইরে? নাকি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে ‘অস্পৃশ্য’ করে তুলেছেন? অভিযোগ, ভিখারি গৌতম ও তাঁর দলবল পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম ও বাঁকুড়া জেলার দামোদর, অজয় ও বরাকর নদী থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি অবৈধ বালি পাচার করছে। ইডির তল্লাশির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার বেপরোয়া ভাবে বালি উত্তোলন শুরু হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। দুর্গাপুর, জামুরিয়া, পাণ্ডবেশ্বর এলাকা থেকে প্রতিদিন শতাধিক গাড়ি রাজ্য ও ভিনরাজ্যে অবৈধ বালি পাচার হচ্ছে। অন্ডাল থানার অন্তর্গত শ্রীরামপুর ঘাটে দিনরাত অবৈধ বালি খাদান চলছে বলে অভিযোগ। সূত্র মারফত জানা গেছে, বাঁকুড়ার একটি অনুমোদিত ঘাটের লাইসেন্স দেখিয়ে দামোদর নদের পশ্চিম বর্ধমান অংশে হাই-স্পিড পাম্প ও পোকলেন মেশিন নামিয়ে নদীর মাঝখান থেকে বালি তোলা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অবৈজ্ঞানিক বালি উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশে গভীর গর্ত তৈরি হচ্ছে, বদলে যাচ্ছে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ। নদীতে স্নান করতে গিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন গ্রামবাসীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে এই অবৈধ বালি খাদানে পড়ে ডুবে। এই পরিস্থিতিতে দুর্গাপুরের গোপালমাঠ ভূমি সুরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী, সেচমন্ত্রী, জেলা শাসক, মহকুমা শাসক ও রাজ্য মাইনিং কর্পোরেশনের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রশাসন বা পুলিশের কার্যকর ভূমিকা চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ। উল্লেখযোগ্যভাবে, ওয়েস্ট বেঙ্গল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডও পশ্চিম বর্ধমান জেলা শাসককে চিঠি দিয়ে শ্রীরামপুর ঘাটের অবৈধ বালি উত্তোলনের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয়। তা সত্ত্বেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে।Complaint of a villager who is not willing to reveal his name, “A broker named ‘Abhiji’, who regularly visits Andal police station, is trying to fool the police administration in exchange of small amount of money.” Recently, after the transfer of the officer in charge of Andal police station, experienced police officer Akhil Mukherjee has taken charge as the new OC. This time the residents of Shri Rampur are expecting strict action against the illegal sand mafia.

Photo Gallery

2 Photos
Gallery image 1
Gallery image 2
Abdul Haque
Abdul Haque

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
12 Comments
ইডির তল্লাশি সত্ত্বেও পশ্চিম বর্ধমানে বেপরোয়া বালি মাফিয়া, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন | Nirbhik Bangla | নির্ভীক বাংলা