আসানসোল, পশ্চিমবঙ্গ:
আসানসোলের বিজেপির জেলা কার্যালয়ে মঙ্গলবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য এবং রাজ্য নেতা তাপস রায়।
সাংবাদিক সম্মেলনে তাপস রায় জানান, সাধারণ মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই ভারতীয় জনতা পার্টি শাসন ব্যবস্থায় এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর কথায়, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য “পার্টিসিপেটেড গভর্ন্যান্স”, অর্থাৎ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা।
তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ায় কৃষকের লাঙল থেকে শুরু করে যুবসমাজের স্টার্টআপ—সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছ থেকে মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হবে। সংগৃহীত সমস্ত মতামত প্রথমে সংকলিত করা হবে। এরপর একটি কমিটি বৈঠকে বসে সেই মতামতের ভিত্তিতেই দলের খসড়া সংকল্পপত্র প্রস্তুত করবে। পরবর্তীতে সেই সংকল্পপত্র দলের সভার সামনে উপস্থাপন করা হবে।
এরপর কেন্দ্র ও রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব সেই সংকল্পপত্র পর্যালোচনা ও অনুমোদন করবেন। অনুমোদনের পর তা মুদ্রিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
তাপস রায় আরও জানান, এই প্রক্রিয়ায় শুধু বিজেপি সমর্থকরাই নন—সাধারণ মানুষও তাঁদের মতামত দিতে পারবেন। সাংবাদিক, মিডিয়া পার্সোনালিটি এবং বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছেও মতামত জানানোর আবেদন জানানো হয়েছে।
মতামত দেওয়ার মাধ্যম:
টোল ফ্রি নম্বর: ৯৭২৭-২৯৪২৯৪
ই-মেল: Sankalpa.wb2026@bjpbengal.org
ওয়েবসাইট / FAQ বুক স্ক্যান করে অনলাইনে মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ
দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সেনাবাহিনীর সদস্য, আইনজীবী, ব্যারিস্টার, শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী—সব পেশার মানুষই এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন। বিজেপি সমর্থক হওয়া বাধ্যতামূলক নয়; মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা।
এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সরাসরি মানুষের কাছে গিয়ে সাজেশন বক্সের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত সমস্ত মতামতের সংকলন আবার মানুষের কাছেই তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।
দলীয় নেতৃত্বের দাবি, গত প্রায় পঞ্চাশ বছরে বাংলা শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। দুর্নীতি, পুলিশি শাসন এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতায় রাজ্য আজ জর্জরিত। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ মানুষের অংশগ্রহণ।
সবশেষে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে তাপস রায় বলেন—
“আপনারা বলুন, আপনারা পরামর্শ দিন। বাংলার পুনর্গঠনের এই যাত্রায় আমরা আপনাদের সঙ্গে নিয়েই এগোতে চাই।”Politics
অংশগ্রহণমূলক শাসনের পথে বিজেপি
Nirbheek Bengali, Asansol, West Bengal: A press conference is organized at the BJP district office of Asansol on Tuesday. BJP's West Vandaman district was present in this press conference.

Nirbheek Bengali, Asansol, West Bengal:
A press conference is organized at the BJP district office of Asansol on Tuesday. BJP's West Vandama|Nirbhik Bangla Photo
নির্ভীক বাংলা,
আসানসোল, পশ্চিমবঙ্গ:
আসানসোলের বিজেপির জেলা কার্যালয়ে মঙ্গলবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য এবং রাজ্য নেতা তাপস রায়।
সাংবাদিক সম্মেলনে তাপস রায় জানান, সাধারণ মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই ভারতীয় জনতা পার্টি শাসন ব্যবস্থায় এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর কথায়, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য “পার্টিসিপেটেড গভর্ন্যান্স”, অর্থাৎ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা।
তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ায় কৃষকের লাঙল থেকে শুরু করে যুবসমাজের স্টার্টআপ—সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছ থেকে মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হবে। সংগৃহীত সমস্ত মতামত প্রথমে সংকলিত করা হবে। এরপর একটি কমিটি বৈঠকে বসে সেই মতামতের ভিত্তিতেই দলের খসড়া সংকল্পপত্র প্রস্তুত করবে। পরবর্তীতে সেই সংকল্পপত্র দলের সভার সামনে উপস্থাপন করা হবে।
এরপর কেন্দ্র ও রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব সেই সংকল্পপত্র পর্যালোচনা ও অনুমোদন করবেন। অনুমোদনের পর তা মুদ্রিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
তাপস রায় আরও জানান, এই প্রক্রিয়ায় শুধু বিজেপি সমর্থকরাই নন—সাধারণ মানুষও তাঁদের মতামত দিতে পারবেন। সাংবাদিক, মিডিয়া পার্সোনালিটি এবং বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছেও মতামত জানানোর আবেদন জানানো হয়েছে।
মতামত দেওয়ার মাধ্যম:
টোল ফ্রি নম্বর: ৯৭২৭-২৯৪২৯৪
ই-মেল: Sankalpa.wb2026@bjpbengal.org
ওয়েবসাইট / FAQ বুক স্ক্যান করে অনলাইনে মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ
দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সেনাবাহিনীর সদস্য, আইনজীবী, ব্যারিস্টার, শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী—সব পেশার মানুষই এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন। বিজেপি সমর্থক হওয়া বাধ্যতামূলক নয়; মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা।
এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সরাসরি মানুষের কাছে গিয়ে সাজেশন বক্সের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত সমস্ত মতামতের সংকলন আবার মানুষের কাছেই তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।
দলীয় নেতৃত্বের দাবি, গত প্রায় পঞ্চাশ বছরে বাংলা শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। দুর্নীতি, পুলিশি শাসন এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতায় রাজ্য আজ জর্জরিত। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ মানুষের অংশগ্রহণ।
সবশেষে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে তাপস রায় বলেন—
“আপনারা বলুন, আপনারা পরামর্শ দিন। বাংলার পুনর্গঠনের এই যাত্রায় আমরা আপনাদের সঙ্গে নিয়েই এগোতে চাই।”
আসানসোল, পশ্চিমবঙ্গ:
আসানসোলের বিজেপির জেলা কার্যালয়ে মঙ্গলবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য এবং রাজ্য নেতা তাপস রায়।
সাংবাদিক সম্মেলনে তাপস রায় জানান, সাধারণ মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই ভারতীয় জনতা পার্টি শাসন ব্যবস্থায় এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর কথায়, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য “পার্টিসিপেটেড গভর্ন্যান্স”, অর্থাৎ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা।
তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ায় কৃষকের লাঙল থেকে শুরু করে যুবসমাজের স্টার্টআপ—সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছ থেকে মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হবে। সংগৃহীত সমস্ত মতামত প্রথমে সংকলিত করা হবে। এরপর একটি কমিটি বৈঠকে বসে সেই মতামতের ভিত্তিতেই দলের খসড়া সংকল্পপত্র প্রস্তুত করবে। পরবর্তীতে সেই সংকল্পপত্র দলের সভার সামনে উপস্থাপন করা হবে।
এরপর কেন্দ্র ও রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব সেই সংকল্পপত্র পর্যালোচনা ও অনুমোদন করবেন। অনুমোদনের পর তা মুদ্রিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
তাপস রায় আরও জানান, এই প্রক্রিয়ায় শুধু বিজেপি সমর্থকরাই নন—সাধারণ মানুষও তাঁদের মতামত দিতে পারবেন। সাংবাদিক, মিডিয়া পার্সোনালিটি এবং বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছেও মতামত জানানোর আবেদন জানানো হয়েছে।
মতামত দেওয়ার মাধ্যম:
টোল ফ্রি নম্বর: ৯৭২৭-২৯৪২৯৪
ই-মেল: Sankalpa.wb2026@bjpbengal.org
ওয়েবসাইট / FAQ বুক স্ক্যান করে অনলাইনে মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ
দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সেনাবাহিনীর সদস্য, আইনজীবী, ব্যারিস্টার, শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী—সব পেশার মানুষই এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন। বিজেপি সমর্থক হওয়া বাধ্যতামূলক নয়; মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা।
এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সরাসরি মানুষের কাছে গিয়ে সাজেশন বক্সের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত সমস্ত মতামতের সংকলন আবার মানুষের কাছেই তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।
দলীয় নেতৃত্বের দাবি, গত প্রায় পঞ্চাশ বছরে বাংলা শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। দুর্নীতি, পুলিশি শাসন এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতায় রাজ্য আজ জর্জরিত। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ মানুষের অংশগ্রহণ।
সবশেষে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে তাপস রায় বলেন—
“আপনারা বলুন, আপনারা পরামর্শ দিন। বাংলার পুনর্গঠনের এই যাত্রায় আমরা আপনাদের সঙ্গে নিয়েই এগোতে চাই।”Photo Gallery
1 Photos
