Nirbhik Bangla
পশ্চিম বর্ধমান

বেআইনি সিন্ডিকেট রুখতে আসানসোলে বালির বাজারদর ও স্টক পয়েন্ট নিয়ে কড়া নির্দেশ ডিএম-এর

নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১১:০৬ AM
WhatsApp
বেআইনি সিন্ডিকেট রুখতে আসানসোলে বালির বাজারদর ও স্টক পয়েন্ট নিয়ে কড়া নির্দেশ ডিএম-এর
Nirbhik Bangla Photo
আসানসোলে বালির দামে প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত, ট্রাক্টর-পিছু ঘাট মূল্য ১২০০ টাকা নির্ধারণ

পশ্চিম বর্ধমানে বালির জোগান ও দাম নিয়ে ডিএম-এর নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, ১৫টি বৈধ ঘাটে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, বেআইনি অতিরিক্ত টাকা আদায়ে কড়া ব্যবস্থা

আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান: পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বালির বাড়তি দাম এবং জোগান নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ করল জেলা প্রশাসন। আসানসোলে জেলা শাসকের দফতরে বালি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জেলার বিধায়ক, শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিক এবং বিভিন্ন বালি ঘাটের লিজহোল্ডারদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বালির বাজারদর নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত জোগান নিশ্চিত করা, সরকারি ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বালি সরবরাহ এবং পরিবহণ খরচ কমানোর মতো একাধিক জনমুখী ও নীতিনির্ধারক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক এস. পন্নমবালম স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে বালির জোগান এবং দাম নিয়ে জেলা প্রশাসন অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়মিত নজরদারি চালাবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে পুরো জেলাজুড়ে ১৫টি বৈধ বালি ঘাট সচল রয়েছে। এর পাশাপাশি আরও ১২টি ঘাট পরিবেশগত ছাড়পত্রের (Environmental Clearance) অপেক্ষায় রয়েছে। ওই ১২টি নতুন ঘাট প্রশাসনিক অনুমোদন পেয়ে চালু হলে জেলায় বালির জোগান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং দামও সাধারণ মানুষের নাগালে থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরালো আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্রাক্টরের জন্য ঘাট মূল্য ১২০০ টাকার বেশি নয়

বৈঠকে জেলা শাসক অত্যন্ত কড়া সুরে জানিয়ে দেন যে, ছোট বাণিজ্যিক বাহন অর্থাৎ ট্রাক্টরের জন্য ঘাট থেকে বালি তোলার নির্ধারিত ঘাট মূল্য কোনোভাবেই ১২০০ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়। ঘাট পর্যায় থেকে নির্ধারিত এই মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা কোনো সিন্ডিকেট বা মধ্যস্বত্বভোগী আদায় করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুধু ঘাট মূল্য নির্ধারণ করেই প্রশাসন দায় সারছে না, বাজারে বালির চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য বা 'এন্ড প্রাইস' (End Price)-এর উপরও কড়া নজরদারি রাখবে প্রশাসন।

মূল্য নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা আনতে প্রতিটি ঘাটের জন্য নির্দিষ্ট আধিকারিকদের রোটেশন ভিত্তিতে দায়িত্ব বন্টন করা হবে। যেসব ঘাটে এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা বা নজরদারির জন্য সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা স্থাপন করা হয়নি, সেখানে অবিলম্বে সিসিটিভি বসানোর কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা শাসক আরও জানান যে, বালির দাম ও জোগান স্বাভাবিক রাখতে ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (BDO), ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক (BLRO) এবং রেভিনিউ ইন্সপেক্টরদের (RI) পারস্পরিক নিখুঁত সমন্বয় রেখে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে এই কাজে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সক্রিয় সাহায্য নেওয়া হবে যাতে কোনো ধরনের বেআইনি কারবার মাথাচাড়া না দিতে পারে।

১৫টি ঘাট চালু, পরিবেশগত ছাড়পত্রের অপেক্ষায় আরও ১২

বৈঠকে জেলার বালি ঘাটগুলির বর্তমান পরিকাঠামো ও পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়। প্রশাসনের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ১৫টি বৈধ বালি ঘাট চালু রয়েছে। এর বাইরে আরও ১২টি নতুন ঘাট বর্তমানে পরিবেশগত ছাড়পত্রের অপেক্ষায় দিন গুনছে।

এই বালি ঘাটগুলি খুব শীঘ্রই অনুমোদন পেয়ে চালু হলে জেলার নির্মাণ শিল্পে বালির জোগান এক লাফে অনেকটাই বেড়ে যাবে। তবে তার আগে বর্তমানে যে সীমিত পরিমাণ বালি পাওয়া যাচ্ছে, তার সঠিক ব্যবহার এবং সম্পূর্ণ বৈধ উপায়ে সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে।

ঘাট নেই এমন এলাকায় স্টক পয়েন্ট তৈরির প্রস্তাব

যে সমস্ত জনবহুল এলাকায় কোনো বৈধ বালি ঘাট নেই, সেই সমস্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য স্টক পয়েন্ট তৈরির অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি প্রস্তাবও বৈঠকে জোরালোভাবে উঠে আসে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে, অন্ডাল, আসানসোল কর্পোরেশন এলাকা, দুর্গাপুর কর্পোরেশন এলাকা এবং দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের মতো অঞ্চলে বৈধ ঘাটের উপস্থিতি বেশ সীমিত।

এই ধরনের ঘাট-বিহীন এলাকায় সুপরিকল্পিত স্টক পয়েন্ট তৈরি করা সম্ভব হলে অতিরিক্ত পরিবহণ খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে, যার সরাসরি সুফল পাবেন সাধারণ ক্রেতারা। তবে বর্তমান সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ঘাট থেকে পাঁচ কিলোমিটারের বেশি দূরে স্টক পয়েন্ট তৈরির ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে এই ধরনের ঘাট-বিহীন এলাকায় স্টক পয়েন্ট তৈরির বিশেষ অনুমতি দেওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ট্রাক্টর রেজিস্ট্রেশনে জোর ও আইনি প্রক্রিয়া সহজীকরণ

বালির বৈধ ও স্বচ্ছ পরিবহণ ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে ট্রাক্টরের রেজিস্ট্রেশনের উপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। সরকারি নিয়ম মেনে যে সমস্ত ট্রাক্টর মালিক বা চালক নিজেদের গাড়ি রেজিস্টার্ড করাতে ইচ্ছুক, তাঁদের সেই আইনি প্রক্রিয়া আরও সহজ ও ঝঞ্ঝাটহীন করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বিডিও এবং বিএলআরও-র যৌথ টিমকে অর্পণ করা হয়েছে।

প্রশাসনের অভিমত, রেজিস্টার্ড বা নথিভুক্ত বাণিজ্যিক গাড়ির সংখ্যা যত বাড়বে, বৈধভাবে বালি পরিবহণের সুযোগ তত সুগম হবে এবং সামগ্রিক অনিয়মের উপর নজরদারি চালানোও প্রশাসনের পক্ষে অনেক বেশি সহজ হবে।

সরকারি প্রকল্পে বালি সরবরাহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও সামাজিক প্রকল্পের নির্মাণকাজে বালি সরবরাহকে যে সর্বদাই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তা বৈঠকে পুনরায় স্পষ্ট করা হয়েছে। জেলা শাসক স্বচ্ছ ভারত মিশনের অধীনে গ্রামীণ এলাকায় শৌচাগার নির্মাণ এবং 'বিবির গ্রাম' (VB-G-RAM-G)-এর মতো জনকল্যাণমূলক কাজগুলিকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দ্রুত সম্পন্ন করার কথা বলেন।

সরকারি প্রকল্পের কাজ যাতে কোনোভাবেই কাঁচামাল বা বালির অভাবে থমকে না যায়, সে জন্য জেলা প্রশাসন অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিডিও এবং বিএলআরও স্তরে সংশ্লিষ্ট নির্মাণ দফতর এবং বালি ঘাটের লিজহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়মিত ও নিবিড় যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্ষা শেষ হতেই শুরু হবে জরুরি রাস্তা মেরামতের কাজ

বৈঠকে জেলার বিভিন্ন গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের বেহাল রাস্তার প্রসঙ্গটিও গুরুত্ব সহকারে উঠে আসে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একটানা দীর্ঘ বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা মেরামতির কাজ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। তবে অনেক কাজের জন্যই ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন মিলেছে এবং বহু জায়গায় টেন্ডার প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্বের দিকে এগিয়েছে।

আসানসোল পুরনিগম (AMC), আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ (ADDA), দুর্গাপুর পুরনিগম (DMC) এবং জেলা পরিষদ-সহ সমস্ত সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা রাস্তা মেরামতির সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সেরে ফেলেছে। আবহাওয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক ও অনুকূল হলেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হবে। প্রশাসনের প্রাথমিক লক্ষ্য হল আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে জেলার যতটা সম্ভব বেশি রাস্তা মেরামত করে জনসাধারণের যাতায়াত সুগম করা।

বালির অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি নিয়ে সরব বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, সাম্প্রতিককালে বাজারে বালির অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের বাড়ি তৈরি সহ বিভিন্ন নির্মাণকাজে দারুণভাবে প্রভাব পড়ছিল। রাজ্য সরকারের শীর্ষ মহলের নির্দেশেই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ত্রিদলীয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আজকের এই বৈঠকে প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকরা ছাড়াও সমস্ত বালি ঘাটের অনুমোদিত লিজহোল্ডার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ট্রাক্টরের জন্য নির্দিষ্ট ১২০০ টাকার ঘাট মূল্যের বিষয়টি বৈঠকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আলোচিত হয়েছে এবং সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়েছে।

কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন যে, নির্ধারিত সরকারি নিয়ম ভেঙে যদি কেউ অতিরিক্ত টাকা আদায় করার দুঃসাহস দেখায় বা কোনো সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে বালির দাম বাড়ানোর অপচেষ্টা করে, তবে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে। নিয়ম ভঙ্গকারী ঘাট মালিক বা পরিচালকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কড়া পদক্ষেপের পাশাপাশি গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে তাদের লিজ চিরতরে বাতিল করার মতো কঠোরতম পদক্ষেপও করা হতে পারে বলে তিনি জানান।

সিসিটিভি এবং ঘাটে নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার

বালির বাজারদর এবং সমস্ত ধরনের অবৈধ কালোবাজারি রোধ করতে ঘাটগুলিতে নজরদারি পরিকাঠামোকে আরও বেশি শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে সমস্ত বালি ঘাটে এখনও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়নি, সেখানে জরুরি ভিত্তিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ঘাটগুলিতে প্রশাসনিক নজরদারি রাখতে আধিকারিকদের রোটেশন বা পালাবদলের পদ্ধতিতে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বিডিও, বিএলআরও, অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM), মহকুমা শাসক (SDO), মহকুমা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক (SDLRO), বিশিষ্ট পুলিশ আধিকারিক এবং জেলার সমস্ত বৈধ বালি ঘাটের লিজহোল্ডার সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও তাঁদের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে যোগ দিয়ে নিজেদের মূল্যবান মতামত ও এলাকার অভাব-অভিযোগ তুলে ধরেন।

প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য তিন স্তম্ভ—দাম নিয়ন্ত্রণ, সুনিশ্চিত জোগান ও কড়া নজরদারি

জেলা প্রশাসনের সামগ্রিক কাজের মূল লক্ষ্য হল বাজারে বালির লাগামছাড়া দাম শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করা, তার পাশাপাশি পর্যাপ্ত জোগান বাড়ানো এবং একটি সম্পূর্ণ বৈধ সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সীমিত সংখ্যক চালু ঘাটের বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবহণ খরচ কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে একাধিক বিকল্প নিয়েও এদিনের বৈঠকে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

প্রশাসনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই জেলায় মোট ১৫টি অনুমোদিত বালি ঘাট সচল রয়েছে এবং আরও ১২টি ঘাট পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। ওই বালি ঘাটগুলি সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অনুমোদন পেলে জেলার সামগ্রিক বালির জোগান ব্যবস্থা আরও অনেক বেশি শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।

এখন সর্বসাধারণের নজর থাকবে যে, প্রশাসনের নির্ধারিত ১২০০ টাকার ঘাট মূল্য এবং খুচরা বাজারের চূড়ান্ত দামের মধ্যে ব্যবধান কতটা কমে এবং প্রশাসনের এই নতুন ও কড়া নজরদারি ব্যবস্থা বালির বাজারদর ও অবৈধ অতিরিক্ত টাকা আদায় রুখতে বাস্তবে ঠিক কতটা সফল হয়।
ট্যাগসমূহ:Nirbhikbangla
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
১২ মন্তব্য