Nirbhik Bangla
স্বাস্থ্য

দেশ থেকে যক্ষ্মা দূর করতে দুর্গাপুরে বাড়ল সহযোগিতার হাত, ৫০ জন রোগীর পুষ্টির দায়িত্ব নিলেন বিধায়ক

নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
২৯ আগস্ট, ২০২৬ এ ০১:২১ PM
WhatsApp
দেশ থেকে যক্ষ্মা দূর করতে দুর্গাপুরে বাড়ল সহযোগিতার হাত, ৫০ জন রোগীর পুষ্টির দায়িত্ব নিলেন বিধায়ক
Nirbhik Bangla Photo
দুর্গাপুর:- দেশ থেকে যক্ষ্মা রোগ নির্মূল করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের 'নিক্ষয় মিত্র' কর্মসূচির অংশীদার হলেন দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুই। এই মহৎ উদ্যোগের আওতায় তিনি দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের ৫০ জন যক্ষ্মা (টিবি) আক্রান্ত রোগীর পুষ্টির সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন। শনিবার দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে এক সুধী ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডা. ধীমান মণ্ডল, ডেপুটি সুপার ডা. শিরুপা ভট্টাচার্য, বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুই, বিশিষ্ট সমাজসেবী পারিজাত গাঙ্গুলী, মনীষা সিকদার সহ স্বাস্থ্য দপ্তরের অন্যান্য বিশিষ্ট আধিকারিক ও চিকিৎসকরা।

এদিন হাসপাতালের পক্ষ থেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী। যার মধ্যে ছিল চাল, ডাল, ডিম, সয়াবিন এবং অন্যান্য প্রোটিনযুক্ত খাবার। বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুই, সমাজসেবী পারিজাত গাঙ্গুলী এবং হাসপাতাল সুপার ধীমান মণ্ডল নিজে উপস্থিত থেকে রোগীদের হাতে এই খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যক্ষ্মা রোগীদের নিয়মিত ওষুধের পাশাপাশি উচ্চ পুষ্টিমানের খাদ্যের প্রয়োজন হয়, যা অনেক সময় গরিব রোগীদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হয় না। পুষ্টির এই ঘাটতিই অনেক সময় রোগের চিকিৎসাকে দীর্ঘায়িত করে। তাই নিক্ষয় মিত্র কর্মসূচির মাধ্যমে বিধায়কের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। এই ধরনের সহযোগিতায় রোগীরা একদিকে যেমন মানসিকভাবে বল পান, তেমনই চিকিৎসার পাশাপাশি পুষ্টির জোগান নিশ্চিত হওয়ায় দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার পথও প্রশস্ত হয়। সমাজের বিত্তবান ও জনপ্রতিনিধিরা এভাবে এগিয়ে এলে দেশ থেকে যক্ষ্মা নির্মূল করা আরও সহজ হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টমহল।
ট্যাগসমূহ:Nirbhikbangla
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
১২ মন্তব্য