Nirbhik Bangla
রাজনীতি

রানিগঞ্জে কবরস্থানের জমিতে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের অভিযোগ, সরব বিজেপি বিধায়ক

নির্ভীক বাংলা,রানিগঞ্জ: রানিগঞ্জের রনাই এলাকায় আসানসোল পুরনিগমের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি কবরস্থানের জমি দখল করে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন ...

Abdul Haque
Abdul Haque
৩১ জুলাই, ২০২৬ এ ০৩:৩৬ PM
WhatsApp
রানিগঞ্জে কবরস্থানের জমিতে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের অভিযোগ, সরব বিজেপি বিধায়ক
নির্ভীক বাংলা,রানিগঞ্জ: রানিগঞ্জের রনাই এলাকায় আসানসোল পুরনিগমের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি কবরস্থানের জমি দখল করে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্|নির্ভীক বাংলা ফটো

নির্ভীক বাঙালি, রানিগঞ্জ: রানিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক পার্থ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, রানিগঞ্জ এলাকার আসানসোলের পূর্ণিগামের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে একটি কবরস্থানের জমি দখল করে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস তৈরি করা হয়েছে। বিধায়ক পার্থ ঘোষের দাবি, তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষার কথা বললেও বাস্তবে তৃণমূল কংগ্রেস কবরস্থানের জমি দখল করে সেখানে দলীয় কার্যালয় চালাচ্ছে। তিনি বলেন, "এটি খুবই দুঃখজনক এবং মর্মান্তিক ঘটনা। বিজেপি এ ধরনের কর্মকাণ্ড মেনে নেবে না।" বিজেপি বিধায়ক টিএমসি নেতৃত্বের কাছে স্বেচ্ছায় সেই অফিসটি সরিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছিলেন, অন্যথায় প্রশাসনের দ্বারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রসঙ্গে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের টিএমসি কাউন্সিলর আখতারানি খাতুন বলেন, যদি প্রমাণিত হয় যে কবরস্থানের জমিতে দলীয় কার্যালয় তৈরি করা হয়েছে, তাহলে তা সরাতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। তিনি বলেন, "প্রত্যুত্তরে, আমি নিজেই অফিস থেকে সবকিছু সরিয়ে বিজেপি বিধায়কের হাতে চাবি হস্তান্তর করব।" কিন্তু ওই জমি যে কবরস্থান তা তিনি জানতেন না। আখতারি খাতুনের দাবি, ২০২১ সালের আগে ভবনটি সিপিএমের পার্টি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হত। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এটিকে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, "আমি 2018 সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলাম। কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকে আমি এই অফিস থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করে আসছি। যদি সত্যিই কবরস্থানের জমিতে হয় তবে আমি এটি খালি করে দেব। কাউন্সিলর হিসাবে আমার আরও কয়েক মাস বাকি আছে। প্রয়োজনে আমি আমার বাড়ি থেকে মানুষের জন্য কাজ করব।" ঘটনাকে কেন্দ্র করে রানিগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে জমির প্রকৃত মালিকানা ও আইনগত অবস্থা সম্পর্কে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

Abdul Haque
Abdul Haque

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
১২ মন্তব্য