আসানসোল, পশ্চিমবঙ্গ: আসানসোলের ইসমাইল এলাকায় বহুচর্চিত ও প্রস্তাবিত ৬০ ফুট চওড়া রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে তীব্র আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা। রাস্তা তৈরির জন্য ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি ব্যবহারের অভিযোগ তুলে জমির মালিকরা সোচ্চার হয়েছেন এবং এর সুনির্দিষ্ট ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। এই জটিল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বুধবার এক প্রতিনিধিদল আসানসোল পৌরনিগমের কমিশনারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন এবং একটি স্মারকলিপি জমা দেন। জমির মালিকদের স্পষ্ট বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের স্পষ্ট স্থগিতাদেশ (স্টে অর্ডার) থাকা সত্ত্বেও এবং আইনি প্রক্রিয়া না মেনে যেভাবে জোরপূর্বক বা একতরফাভাবে নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধের মীমাংসা না হলে তাঁরা এই জমিতে কোনো প্রকার নির্মাণ কাজ হতে দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
কী এই পুরো আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা?
ক্ষতিপূরণ দাবিদার জমির মালিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সম্পূর্ণ ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমান জেলার হীরাপুর থানা এলাকার অন্তর্গত মৌজা ইসমাইল, জে.এল. নম্বর ২২-এর জমির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁদের জোরালো দাবি, যে জমির ওপর দিয়ে এই ৬০ ফুট রাস্তাটি সম্প্রসারণ বা নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা কোনো সরকারি খাস জমি নয়; বরং এটি সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তিগত রায়তদের নিজস্ব জমি। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সরকারি রেকর্ড অফ রাইটসেও (এলআর খতিয়ান) এই জমি সংশ্লিষ্ট মালিকদের নামেই নথিভুক্ত রয়েছে।
জমির মালিকদের অভিযোগ, গত ২০১২ সালের ৮ অক্টোবর (উল্লেখ্য, তারিখটি নথিপত্র অনুযায়ী প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে বিচার্য) হঠাৎ করেই কিছু শ্রমিক এবং ঠিকাদারের লোকজন ওই জমিতে এসে রাস্তা তৈরির নানা নির্মাণ সামগ্রী এবং ভারী যন্ত্রপাতি জড়ো করতে শুরু করেন। জমির মালিকরা যখন সেখানে গিয়ে এই অনধিকার প্রবেশের কারণ জানতে চান এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেন, তখন তাঁদের জানানো হয় যে আসানসোল পৌরনিগম (AMC) কিংবা আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের (ADDA) নির্দেশেই এই সমস্ত প্রাথমিক প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে। জমির মালিকদের প্রশ্ন, যদি জনস্বার্থে এই ব্যক্তিগত জমি অধিগ্রহণ করতেই হয়, তবে কেন ভূমি অধিগ্রহণের প্রচলিত আইনি পথ অনুসরণ করা হলো না? কেন জমিদাতাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই তড়িঘড়ি করে কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হলো?
২০১২ সালের কলকাতা হাইকোর্টের মামলার প্রসঙ্গ ও আইনি লড়াই
এই পুরো বিরোধের শেকড় বহু পুরোন। জমির মালিকরা জানিয়েছেন যে, এই একই জমি নিয়ে এর আগেও বড় আইনি লড়াই হয়েছে। ২০১২ সালে এই জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল, যার মামলা নম্বর ছিল W.P. No. 23464 (W) of 2012।
তাঁদের আইনি নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৪ মার্চ ওই মামলার শুনানির সময় কলকাতা হাইকোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ আদেশ বা নির্দেশিকা জারি করেছিল। জমির মালিকদের দাবি, সেই আদেশে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জমিতে যেকোনো ধরনের জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ বা নির্মাণের ওপর সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এছাড়া, ২০১২ সালের ১৬ মে পাইপলাইন বসানো এবং ৬০ ফুট চওড়া রাস্তা তৈরির জন্য ঠিকাদারকে যে কার্যাদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) দেওয়া হয়েছিল, তার বিরুদ্ধেও আদালতে আপত্তি জানানো হয়েছিল। সেই সময় জমি অধিগ্রহণ থেকে অব্যাহতি সংক্রান্ত যে আইনি নির্দেশ বা ছাড়ের নথি দেওয়া হয়েছিল, তার কপিও বর্তমান প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। যদিও বর্তমান সময়ে সেই পুরোনো হাইকোর্টের আদেশের আইনি পরিধি এবং আজকের প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্পের ওপর তার ঠিক কী প্রভাব পড়তে পারে, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিচার বিভাগীয় মূল আদেশের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা জরুরি বলে আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
রংজিৎ রায়: 'আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই, শুধু ন্যায্য পাওনা চাই'
এই জমি আন্দোলনের অন্যতম মুখ ও জমির মালিক রংজিৎ রায় সংবাদমাধ্যম ও প্রশাসনের সামনে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন যে, তাঁরা বছরের পর বছর ধরে তাঁদের এই জমির সঠিক ও আইনানুগ ক্ষতিপূরণের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, কিন্তু আজ পর্যন্ত তাঁদের একটি কানাকড়িও দেওয়া হয়নি।
রংজিৎ রায় বলেন, “আমরা আজ আসানসোল পৌরনিগম কমিশনারের কাছে এসেছিলাম জানতে যে আমাদের জমি অধিগ্রহণ না করে বা ক্ষতিপূরণ না দিয়ে কেন এই ধরনের পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আমাদের হাতে আদালতের স্পষ্ট স্থগিতাদেশের সমস্ত আইনি নথি রয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা জানতে পেরেছি যে এই রাস্তা নির্মাণের জন্য পুনরায় নতুন করে টেন্ডার ডাকা হয়েছে।” তিনি জানান, সমস্ত আইনি কাগজপত্র, আদালতের রায়ের কপি ও দলিলপত্র পৌরনিগম কর্তৃপক্ষ, এড্ডা (ADDA) এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্পষ্ট কথা, যদি সরকার বা প্রশাসন তাঁদের জমি অধিগ্রহণ করে বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ বুঝিয়ে দেয়, তবে এই রাস্তা তৈরিতে তাঁদের বিন্দুমাত্র আপত্তি থাকবে না।
রংজিৎ রায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই পুরো জমি জটটির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২২ জন জমির মালিক জড়িত রয়েছেন। তিনি একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জানান যে, ১৯৮৯ সালে বংশগোপাল রায় চৌধুরী মহাশয় তৎকালীন সময়ে রাস্তার কাজের জন্য স্বেচ্ছায় কিছু জমি অর্পণ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ২০১০ সালে সেই সংশ্লিষ্ট জমিটিকে সরকারি অধিগ্রহণ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্ত (ডি-অ্যাকুইজিশন) করে দেওয়া হয় এবং জমির আসল দলিলপত্র মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া ছাড়াও সেই মধ্যবর্তী সময়ের জন্য উপযুক্ত ভাড়াও পরিশোধ করা হয়েছিল। জমির মালিকদের প্রধান প্রশ্ন হলো—যে জমি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বহু বছর আগে সরকারের তরফ থেকে অধিগ্রহণ মুক্ত করে মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হলো, সেই একই জমিতে আজ কোন আইনি বলে এবং কোন এক্তিয়ারে আবার নতুন করে রাস্তা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে?
পঙ্কজ কর্মকার: 'জমি অধিগ্রহণ না করেই কীভাবে সম্পন্ন হলো টেন্ডার?'
ইসমাইলের অপর এক বাসিন্দা তথা জমির মালিকদের প্রতিনিধি পঙ্কজ কর্মকার প্রশাসনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন যে, তাঁরা বা এলাকার কোনো মানুষই উন্নয়নের বিরোধী নন। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হোক, তা তাঁরাও চান, কিন্তু সেই উন্নয়ন যেন কারও ব্যক্তিস্বার্থ বা মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়ে না করা হয়।
পঙ্কজ কর্মকার বলেন, “আমরা এই ৬০ ফুট ইসমাইল রোড প্রকল্পের জন্য আমাদের জমির ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবিতে এখানে একত্রিত হয়েছি। সরকার যদি এলাকায় রাস্তা বানাতে চায়, তবে তা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে জমি অধিগ্রহণ করেই করা উচিত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, আইনত কোনো জমি অধিগ্রহণ না করেই, জমির মালিকদের বিন্দুমাত্র অবগত না করে কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এই কাজের জন্য টেন্ডার ডেকে দেওয়া হলো?”
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, অতীতেও যখন এই রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তখনও তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল এবং জমির মালিকরা বাধ্য হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। সেই সময় আদালতের নির্দেশেই সমস্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, সমস্ত পুরোনো আইনি নথি, হীরাপুর থানা, পুলিশ কমিশনারেট, এড্ডা এবং পৌরনিগমে জমা থাকা সত্ত্বেও ফের নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়ার খবর সামনে আসায় জমির মালিকরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
পঙ্কজ কর্মকার দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমরা বারবার বলছি, আমরা এলাকার জনস্বার্থের কোনো কাজে বাধা দিতে চাই না। আমরা নিজেরাও জানি এই ইসমাইল রোডের বর্তমান অবস্থা কতটা বেহাল এবং এর ফলে প্রতিদিন স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ পথচারী ও রোগীবাহী অ্যাম্বুল্যান্সের কতটা সমস্যা হয়। আমরাও চাই রাস্তাটি মসৃণ ও প্রশস্ত হোক। কিন্তু তার জন্য যদি আমাদের পৈতৃক বা ব্যক্তিগত জমি সরকার বা পৌরনিগম নিয়ে নেয়, তবে তার বিনিময়ে বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী আমাদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতেই হবে।”
ক্ষতিপূরণ না মিললে ফের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি
পঙ্কজ কর্মকার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, যদি তাঁদের এই যুক্তিসঙ্গত দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসন বা পৌরনিগম কর্তৃপক্ষ কোনো সদর্থক পদক্ষেপ না করে এবং ক্ষতিপূরণ মেটানোর আগেই জোরপূর্বক বুলডোজার বা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তাঁরা আইনি লড়াইকে আরও তীব্র করতে বাধ্য হবেন। প্রয়োজনে তাঁরা অবিলম্বেই পুনরায় কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় আদালতের দ্বারস্থ হবেন এবং আইনি পথেই এর মোকাবিলা করবেন।
তাঁদের মতে, জমির সমস্ত বৈধ দলিল, খতিয়ান এবং বিগত মামলার জাজমেন্ট কপি তাঁদের কাছে সুরক্ষিত রয়েছে। আইনি ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যেই তাঁরা নিজেদের অধিকার রক্ষা করবেন। জমির মালিকদের এখন একটাই চাওয়া, প্রশাসন যেন অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন করে (পৌরনিগম, এড্ডা এবং জমির মালিকদের নিয়ে) এই জটিল সমস্যার একটি স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানসূত্র বের করে।
সংবিধানের ৩০A অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ ও আইনি সুরক্ষা
আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি হিসেবে জমির মালিকদের পক্ষে পেশ করা স্মারকলিপিতে ভারতের সংবিধানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে বর্ণিত ৩০A অনুচ্ছেদ (Article 300A) অনুযায়ী, “আইনের দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে তার সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।” জমির মালিকদের অভিযোগ, প্রশাসন এই সাংবিধানিক অধিকারকে কার্যত উপেক্ষা করেই ব্যক্তিগত জমিতে রাস্তা তৈরির একরোখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভূমি মালিকানার স্বত্ব এবং তার আর্থিক মূল্যায়নের বিষয়টি পরিষ্কার না করে এভাবে তড়িঘড়ি নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী।
আসানসোল পৌরনিগমের কমিশনারের কাছে তাঁদের বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে বিবেচনা করে খতিয়ে দেখা হোক, আদালতের পুরোনো নির্দেশনার প্রতি যথাযথ সম্মান জানানো হোক এবং যতক্ষণ না জমি সংক্রান্ত আইনি জট এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণের চূড়ান্ত ফয়সালা হচ্ছে, ততক্ষণ যেন সমস্ত নির্মাণ কাজ স্থগিত রাখা হয়।
প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন সমস্ত নজর
আসানসোলের ইসমাইল এলাকার এই ৬০ ফুট রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতের জন্য এবং অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়ে আসছে। একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই রাস্তাটির দ্রুত নির্মাণ ও প্রশস্তকরণ দেখতে চান, অন্যদিকে তেমনই জমির মালিকদের নায্য অধিকার এবং আইনানুগ ক্ষতিপূরণের প্রশ্নটিও আজ এক জ্বলন্ত ও অনস্বীকার্য বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে।
এখন অত্যন্ত কৌতূহলের বিষয় হলো, আসানসোল পৌরনিগম কর্তৃপক্ষ (AMC), আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ (ADDA) এবং জেলা প্রশাসন এই জটিল পরিস্থিতিতে ঠিক কী ধরনের আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বিরোধ মেটাতে প্রশাসন কি আলোচনার টেবিল বেছে নেবে, নাকি আইনি মারপ্যাঁচ এড়াতে নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে—সেটাই এখন দেখার বিষয়। আপাতত সমস্ত মহলের নজর রয়েছে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার দিকে। জমির মালিকদের আন্দোলন এবং আইনি হুঁশিয়ারির জেরে এই রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন আসানসোলের সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয়।
ব্রেকিং নিউজ
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা! আসানসোলে ক্ষুব্ধ জমির মালিকরা

Nirbhik Bangla Photo
ট্যাগসমূহ:Nirbhikbangla
