নির্ভীক বাঙালি: গাড়ি থেকে নামল এক কিশোর। সঙ্গে একাধিক নিরাপত্তারক্ষী। কিশোর অফিসারের উপর তার খুব রাগ হল। বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের দেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা হতবাক হয়ে যায়। একসঙ্গে এত যানবাহন ছিল এবং দেহরক্ষীরা পরিস্থিতি বুঝতে অক্ষম ছিল। কিশোররা হেঁটে হেঁটে প্রধান শিক্ষকের বাড়ির দিকে রওনা হয়। কিশোর প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়ে বলেন, আয়করের চাকরি পেয়েছেন, তাই প্রথম দিনেই বেড়াতে এসেছেন।
পরে তিনি অন্য বিদ্যালয়ে গেলে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সন্দেহ হয়। খবর দেওয়া হয় অশোকনগর থানায়। অশোক নগর থানার পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যায় ওই যুবক।
পুলিশ সব গাড়ি ও নিরাপত্তারক্ষীদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। যে কিশোর আসলে নাবালককে চেনে। সে একটি ডুপ্লিকেট আইডি কার্ড তৈরি করে। আর সরস্বতী পুজোর দিন নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করে বেড়াতে বের হন।
পরে পুলিশ শিক্ষার্থীর পরিবারকে খবর দেয়। ওই ছাত্রকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়। ছাত্রী কেন এমন করলো? গোটা ঘটনার তদন্ত করছে অশোকনগর থানার পুলিশ।

