নির্ভীক বাঙালি, শ্যাম দাস, আসানসোল
সালানপুর ব্লকের দেন্দুয়া কল্যাণেশ্বরী এলাকায় অবস্থিত এলকুয়েন্ট স্টিল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানার সামনে শুক্রবার সকাল থেকেই শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে কারখানার প্রধান ফটকের পরিবর্তে প্রবেশ পথের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন। এ কারণে অনেক শ্রমিক কাজে অংশ না নেওয়ায় কারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত করে আসছে। তাদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম মজুরি দেওয়া হয় না। যাইহোক, শ্রমিকদের অভিযোগ যে তাদের 8 ঘন্টার পরিবর্তে 12 ঘন্টা কাজ করানো হচ্ছে এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা অবকাঠামোর অভাব রয়েছে।
শ্রমিকরা জানান, এক সপ্তাহ আগেও একই দাবিতে হাতে পানি নিয়ে কারখানার সামনে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনার জন্য সাত দিনের সময় চায়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরও কোনো গঠনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া স্থানীয় নেতা অমর মাহাতো বলেন, "শ্রমিক শোষণ দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এখন শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।" তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের আগে কর্মীদের তার পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।
অবিলম্বে তাদের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আশঙ্কা করছেন শ্রমিকরা। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।লাইফস্টাইল
সালানপুরে এলকুয়েন্ট স্টিল কারখানার সামনে শ্রমিক বিক্ষোভ, কাজ বন্ধে ব্যাহত উৎপাদন
নির্ভীক বাংলা,শ্যাম দাস, আসানসোল সালানপুর ব্লকের দেন্দুয়া কল্যাণেশ্বরী এলাকায় অবস্থিত এলকুয়েন্ট স্টিল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানার সামনে শুক্রবার সকাল থেকে শ্রমিকদের বিক্ষোভকে ঘির...

নির্ভীক বাংলা,শ্যাম দাস, আসানসোল
সালানপুর ব্লকের দেন্দুয়া কল্যাণেশ্বরী এলাকায় অবস্থিত এলকুয়েন্ট স্টিল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানার সামনে শু|নির্ভীক বাংলা ফটো
নির্ভীক বাঙালি, শ্যাম দাস, আসানসোল
সালানপুর ব্লকের দেন্দুয়া কল্যাণেশ্বরী এলাকায় অবস্থিত এলকুয়েন্ট স্টিল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানার সামনে শুক্রবার সকাল থেকেই শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে কারখানার প্রধান ফটকের পরিবর্তে প্রবেশ পথের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন। এ কারণে অনেক শ্রমিক কাজে অংশ না নেওয়ায় কারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত করে আসছে। তাদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম মজুরি দেওয়া হয় না। যাইহোক, শ্রমিকদের অভিযোগ যে তাদের 8 ঘন্টার পরিবর্তে 12 ঘন্টা কাজ করানো হচ্ছে এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা অবকাঠামোর অভাব রয়েছে।
শ্রমিকরা জানান, এক সপ্তাহ আগেও একই দাবিতে হাতে পানি নিয়ে কারখানার সামনে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনার জন্য সাত দিনের সময় চায়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরও কোনো গঠনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া স্থানীয় নেতা অমর মাহাতো বলেন, "শ্রমিক শোষণ দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এখন শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।" তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের আগে কর্মীদের তার পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।
অবিলম্বে তাদের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আশঙ্কা করছেন শ্রমিকরা। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।ফটোগ্যালারি
1 টি ছবি
