নির্ভীক বাঙালি শ্যাম দাস: পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার চন্দ্রডাঙ্গা গ্রামে দুই রাজনৈতিক শিবিরের জনসংযোগ কর্মসূচি নিয়ে দেখা দিয়েছে ভিন্ন চিত্র। স্থানীয় জনগণের ভাষায়, “কে গাঙ্গার, কে বিরু”—এই মন্তব্যগুলো সেদিনের রাজনৈতিক সুরকে স্পষ্ট করে তুলেছিল। অভিযোগ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি এলাকায় জনসভা করতে গেলে বাসিন্দারা অনেক বাড়ির দরজা বন্ধ করে দেন। অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এলাকায় পৌঁছলে তাকে ঘিরে উৎসাহ দেখা যায়। গণসমাবেশে তার সঙ্গে যোগ দেন শত শত মানুষ। জেলা টিএমসি সভাপতি ও বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, "যারা মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে, তারাই ফল পেয়েছে। যতবারই এসেছি, মানুষের ভালবাসা পেয়েছি। মানুষের আমন্ত্রণে আজ এখানে এসেছি। অনেকের বিয়ে হয়েছে। পূজা করেছি, সবার সঙ্গে কথা বলেছি, সব অভিযোগ শুনেছি। সবাই খুশি।" স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার রাস্তা, পানীয় জল, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প নিয়ে বিধায়ক সাধারণ মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। অনেকে ব্যক্তিগত সমস্যাও তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। সব মিলিয়ে চন্দ্রডাঙ্গায় দুই রাজনৈতিক দলের গণসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন প্রতিক্রিয়াকে আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল।
রাজ্য
জিতেনের দরজা বন্ধ, নরেনের পুষ্পবৃষ্টি—চন্দ্রডাঙ্গায় ভিন্ন ছবি
নির্ভীক বাঙালি শ্যাম দাস: পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার চন্দ্রডাঙ্গা গ্রামে দুই রাজনৈতিক শিবিরের জনসংযোগ কর্মসূচি নিয়ে দেখা দিয়েছে ভিন্ন চিত্র। স্থানীয় লোকজনের মতে, “কে গঙ্গার, কে বীর…

নির্ভীক বাঙালি শ্যাম দাস:
পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার চন্দ্রডাঙ্গা গ্রামে দুই রাজনৈতিক শিবিরের জনসংযোগ কর্মসূচি নিয়ে দেখা দিয়েছে ভিন্ন চিত্র। স্|নির্ভীক বাংলা ফটো
