বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত চাষাবাদ এবং সবুজের অভাবই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত কমার প্রধান কারণ। বিশেষ করে ট্যাপ ওয়াটার প্লান্ট এবং বড় গাছ মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং পানির স্তর সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে গাছ ও ঘাস কাটার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক বিভাগ, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ বিভাগ, পর্যাপ্ত মনিটরিং এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে অনেক এলাকায় নতুন জলাধার বা পানির পাইপ খনন করা হলেও আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর এত নিচে নেমে গেছে যে খনন করেও পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পানির স্বল্পতার কারণে বৃহত্তর সামাজিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবাদীরা। সচেতন মহলের দাবি-
অবিলম্বে বৃক্ষরোপণ ও ফুল সংরক্ষণের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা।
অবৈধ বন উজাড় রোধে কঠোর মনিটরিং
গ্রাম ভিত্তিক জল সংরক্ষণ প্রকল্প
বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করুন
এ প্রেক্ষাপটে বক্সনগর ধনীরামপুর এডিসি সেতু এলাকায় দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সংকট নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বছরের পর বছর সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় লোকজন ধৈর্য ভেঙে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, শুধু প্রশাসনের ওপর দায় চাপিয়ে দিলে হবে না, পরিবেশ রক্ষায় সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে দায়িত্ব দিতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে পানির সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।রাজ্য
গরমের তীব্রতা বাড়তেই গ্রাম-পাহাড় এলাকায় পানীয় জলের সংকট পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে
নির্ভীক বাঙালি: বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত চাষাবাদ এবং সবুজের অভাবই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত কমার প্রধান কারণ। বিশেষ করে বাঁশের কুঁড়েঘর ও বড় গাছ মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখে।

নির্ভীক বাঙালি:
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত চাষাবাদ এবং সবুজের অভাবই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত কমার প্রধান কারণ। বিশেষ করে বাঁশের কুঁড়েঘ|নির্ভীক বাংলা ফটো
নির্ভীক বাংলা:
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত চাষাবাদ এবং সবুজের অভাবই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত কমার প্রধান কারণ। বিশেষ করে ট্যাপ ওয়াটার প্লান্ট এবং বড় গাছ মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং পানির স্তর সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে গাছ ও ঘাস কাটার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক বিভাগ, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ বিভাগ, পর্যাপ্ত মনিটরিং এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে অনেক এলাকায় নতুন জলাধার বা পানির পাইপ খনন করা হলেও আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর এত নিচে নেমে গেছে যে খনন করেও পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পানির স্বল্পতার কারণে বৃহত্তর সামাজিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবাদীরা। সচেতন মহলের দাবি-
অবিলম্বে বৃক্ষরোপণ ও ফুল সংরক্ষণের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা।
অবৈধ বন উজাড় রোধে কঠোর মনিটরিং
গ্রাম ভিত্তিক জল সংরক্ষণ প্রকল্প
বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করুন
এ প্রেক্ষাপটে বক্সনগর ধনীরামপুর এডিসি সেতু এলাকায় দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সংকট নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বছরের পর বছর সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় লোকজন ধৈর্য ভেঙে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, শুধু প্রশাসনের ওপর দায় চাপিয়ে দিলে হবে না, পরিবেশ রক্ষায় সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে দায়িত্ব দিতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে পানির সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত চাষাবাদ এবং সবুজের অভাবই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত কমার প্রধান কারণ। বিশেষ করে ট্যাপ ওয়াটার প্লান্ট এবং বড় গাছ মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং পানির স্তর সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে গাছ ও ঘাস কাটার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক বিভাগ, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ বিভাগ, পর্যাপ্ত মনিটরিং এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে অনেক এলাকায় নতুন জলাধার বা পানির পাইপ খনন করা হলেও আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর এত নিচে নেমে গেছে যে খনন করেও পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পানির স্বল্পতার কারণে বৃহত্তর সামাজিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবাদীরা। সচেতন মহলের দাবি-
অবিলম্বে বৃক্ষরোপণ ও ফুল সংরক্ষণের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা।
অবৈধ বন উজাড় রোধে কঠোর মনিটরিং
গ্রাম ভিত্তিক জল সংরক্ষণ প্রকল্প
বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করুন
এ প্রেক্ষাপটে বক্সনগর ধনীরামপুর এডিসি সেতু এলাকায় দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সংকট নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বছরের পর বছর সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় লোকজন ধৈর্য ভেঙে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, শুধু প্রশাসনের ওপর দায় চাপিয়ে দিলে হবে না, পরিবেশ রক্ষায় সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে দায়িত্ব দিতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে পানির সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।ফটোগ্যালারি
1 টি ছবি
