Nirbhik Bangla
রাজ্য

দামোদর নদীর উপর ভাঙা ব্রীজ দেখতে এসে বিস্ফোরিত বক্তব্য দেন বিধায়িকা

নির্ভীক বাঙালি, শ্যাম দাস আসানসোল * মঙ্গলবার বিকেলে আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার সদস্য অগ্নিমিত্র পাল হীরাপুর থানায় দামোধর নদীর ভাঙা ব্রিজ দেখতে আসেন। সে...

Abdul Haque
Abdul Haque
২৬ মে, ২০২৬ এ ০৫:৩৬ AM
WhatsApp
দামোদর নদীর উপর ভাঙা ব্রীজ দেখতে এসে বিস্ফোরিত বক্তব্য দেন বিধায়িকা
নির্ভীক বাঙালি, শ্যাম দাস আসানসোল * মঙ্গলবার বিকেলে আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার সদস্য অগ্নিমিত্র পাল হীরাপুর থানায় দামোধর নদীর ভাঙা ব্রিজ দে|নির্ভীক বাংলা ফটো

নির্ভীক বাংলা,শ্যাম দাস আসানসোল

* মঙ্গলবার বিকেলে আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার সদস্য অগ্নিমিত্র পাল হীরাপুর থানায় দামোধর নদীর ভাঙা ব্রিজ দেখতে আসেন। তিনি বলেন, গত বছরের মে-জুন মাসে দামোধর নদীর উপর দিয়ে যাওয়া পিএইচ পানির পাইপ লাইনের কারণে সেতুটি ভেঙ্গে যায়, প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত সেতুটি নির্মাণ করা হয়নি, এদিকে পানির অভাবে স্থানীয় মহিলারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতুর নিচে নদীতে গোসল করতে আসেন। পিএইচ পাইপ লাইন ভেঙ্গে যাওয়ার পর বিভিন্ন গ্রামে পানি সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। আসানসোল মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন থেকে ট্যাঙ্কারে জল সরবরাহ করা হচ্ছিল, কিন্তু জল সরবরাহের বকেয়া থাকায় জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। আন্দোলনের পর কয়েকটি গ্রামে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। মন্ত্রী মমতা ঘটক বলেন, সেতু নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হলেও এখনও সেতু তৈরি হয়নি। ভাঙা সেতুর নিচে গ্রামবাসী গোসল করতে গেলে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দায় মন্ত্রী ও মেয়রকে নিতে হবে। পুলিশের সামনেই রাজ্যের প্রতিটি নদী থেকে বালি চুরি হচ্ছে, রাস্তা চুরি হচ্ছে এবং নদীর গতিপথ পাল্টানো হচ্ছে। দামোদর নদী থেকে বালু চুরির কারণে সেতুর পিলারগুলো খালি পড়ে আছে। এর জন্য প্রশাসনের কোনো দায় নেই। ভাঙা সেতুর নিচে গোসল বন্ধের জন্য তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করবেন।

Abdul Haque
Abdul Haque

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
১২ মন্তব্য