রাজ্য
অধীর অনড় আসন নিয়ে, ব্রিগেডের পরও আলোচনা চলবে তিন শিবিরের
কলকাতা: ব্রিগেড সমাবেশ শুরু হতে আরও 12 ঘন্টা বাকি। এতদিন ধরে বারবার আলোচনার পরও সিপিআই(এম)-কংগ্রেস জোট আসনটি জিততে পারেনি। এই দিন...

কলকাতা: ব্রিগেড সমাবেশ শুরু হতে আরও 12 ঘন্টা বাকি। এতদিন ধরে বারবার আলোচনার পরও সিপিআই(এম)-কংগ্রেস জোট আসনটি জিততে পারেনি। এই দিন...|নির্ভীক বাংলা ফটো
কলকাতা: ব্রিগেড সমাবেশ শুরু হতে এখনও 12 ঘন্টা বাকি ছিল। এতদিন ধরে বারবার আলোচনার পরও সিপিআই(এম)-কংগ্রেস জোট আসনটি জিততে পারেনি। একই দিনে আইএসএফ-এর আসন খালি করে নতুন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলেন আখগাস সিদ্দিকী। কিন্তু সিপিএমের দিক থেকে খুব একটা সমস্যা নেই। এবার আলী মুদ্দিন তার আসন ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নজিরবিহীন নমনীয়তা দেখালেন। তবে অন্ধ্রপ্রদেশের একটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর রাজপুত। এমনই খবর সূত্রে।
কয়েকদিন আগে জোট নিয়ে কংগ্রেসকে আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন সিদ্দিকী। তিনি আমাকে সমাধানের জন্য দুই দিন সময় দিতে বলেন। তো ঠিক আছে, ব্রিগেড অ্যাসেম্বলির আগের দিন আরেকটি মিটিং হবে। আর ব্রিগেড মঞ্চ থেকে চূড়ান্ত জোট ঘোষণা করা হবে। একইভাবে এদিন বৈঠকে বসেন সিপি ও কংগ্রেস নেতৃত্ব।
সেই বৈঠকে অধীর দাবি করেছিলেন যে তিনি আইএসএফের জন্য আরও আসন ছেড়ে দিতে পারেন। কিন্তু সিপিএমকে কংগ্রেসকে আরও বেশি আসন ছেড়ে দিতে হবে। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতির এই দাবি শুনে সিপিএম নেতৃত্ব বলেছে যে কংগ্রেসকে প্রথমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কোন আইএসএফ ছাড়বে। তাহলে নতুন করে আসন দেওয়ার প্রশ্নই উঠবে না। দুই পক্ষের এই আলোচনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বৈঠকখানা। সূত্রের খবর, ব্রিগেড বৈঠক: সিপিইএম-কংগ্রেস আবার দেখা যেতে পারে পরের দিন অর্থাৎ সোমবার। ততক্ষণ পর্যন্ত আইএসএফের জন্য কতটি আসন ছেড়ে দেওয়া হবে তা চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে আইএসএফ প্রধান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, রোববার ব্রিগেড উপস্থিত থাকবে। জোট চূড়ান্ত না হলেও জনসভায় তিনি হাজির হলে কী বার্তা দেবেন সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
