বারাবনি:
দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনকল্যাণমূলক নীতি ও আদর্শকে সামনে রেখে এবং তাঁর জন্মদিন উপলক্ষ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) যুব মোর্চার উদ্যোগে বারাবনি ব্লকের পুচড়া আশ্রমের মাঠে এক আকর্ষণীয় একদিনের ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। গ্রামীণ স্তরের যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করতে এবং ক্রীড়াবর্ষের পরিধি বাড়াতে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে এলাকার প্রায় বারোটি নামী দল অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে।
রবিবার সকাল থেকেই পুচড়া আশ্রমের মাঠ স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও দর্শকদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচগুলির মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার ফাইনালে উন্নীত হয় চরমপুর উদয়ন সংঘ এবং দমোহনী একাদশ। শিরোপা নির্ধারণী এই চূড়ান্ত ম্যাচে উভয় দলই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেয় এবং হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চালায়। নির্ধারিত সময়ে উভয় দলই কোনো গোল করতে না পারায় খেলার ফলাফল নির্ধারণের জন্য ট্রাইবেকারের সাহায্য নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত স্নায়ুর চাপ সামলে ট্রাইবেকারে দমোহনী একাদশকে পরাজিত করে বিজয়ী হয় চরমপুর উদয়ন সংঘ। দুই দলের খেলোয়াড়দের এই লড়াকু মানসিকতা উপস্থিত দর্শকদের মন জয় করে নেয়।
এদিনের এই প্রাণবন্ত ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারাবনির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব তথা বিধায়ক শ্রী অরিজিত রায়ের সম্মানিত পিতা অমল রায় ও মাতা সুচন্দ্র রায়। তাঁদের উপস্থিতি এই টুর্নামেন্টের গুরুত্ব অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও যুব মোর্চার পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন সুপ্রিয় রায়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বারাবনি ব্লক যুব মোর্চার সভাপতি বিকাশ বাউরি, মন্ডল সভাপতি বাপি বাউরী, কাত্তিক দে, সঞ্জয় বাউরী সহ বিজেপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব ও কর্মীরা। পাশাপাশি, এলাকার বহু বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়াপ্রেমী মানুষও এই মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন। খেলার শেষে বিজয়ী ও রানার্স আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয় এবং আয়োজকদের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের বার্তা দেওয়া হয়।
খেলা
গ্রামীণ যুবসমাজকে উৎসাহিত করতে বারাবনির পুচড়া আশ্রমে সফল ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন

Nirbhik Bangla Photo
ট্যাগসমূহ:Nirbhikbangla
