*
বাঁকুড়া (বাঁকুড়া):- কথিত হারায় এক সময় নার্দ মুনির বাঁকুড়া কোথাও কান্নাকাটি করেছিল। ভগবান নারায়ণ 'চুদচাদ' শব্দ শুনে নার্দমুনিকে জিজ্ঞাসা করলেন ভগবান নারায়ণ কী ধ্বনি করেছেন? দেবর্ষি? অনর্দমুনি উত্তর দিলেন প্রভু অনর্দমুনি, ঝুড়ির লোকেরা তাদের চুলায় জল ঢালছিল। যদিও এই তথ্য কতটা সঠিক তা স্পষ্ট নয়। হ্যাঁ, মুদ্দি কেন্দ্রে একটি মেলা বসে যা মুদ্দি মেলা নামে পরিচিত।
100 বছরের বেশি রাজস্ব। কিন্তু ইচ্ছা একই থাকে। নদীর তীরে মেলা দেখতে যাওয়া মানে হাজারো মানুষের সমাগম। নদীর তীরে বালিতে গর্ত খুঁড়ে পানি সংগ্রহ করে, রস ছিটিয়ে এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে মুদ্দি খেলে সেখানে প্রচুর পানি জমে যায়। বাঁকুড়া জেলা হল বিখ্যাত জেলা জঞ্জাকুড়া, বিভিন্ন রাজ্যের মানুষ এখানে বাস করত।
মুড়ি মেলার ইতিহাস অনেক পুরনো। এই ধরনের 'অন্য' মেলা কিভাবে শুরু হল? পুক্কুর প্রবেশদ্বারে একটি দেবীর মন্দির রয়েছে। প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে এখানে শুরু হয় হরি নাম সংকীর্তন। শেষ হবে ৪ তারিখ। আগে দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ আসতেন সংকীর্তন শুনতে। কথিত আছে, তখন ঢাকা ছিল ঘন বনভূমি। হারিরের নাম শুনে সন্ধ্যা হয়ে গেল। এরপর আর কেউ বন পার হওয়ার সাহস পায়নি। পরদিন সকালে তিনি দ্বারকেশ্বরের জলে নিজের সঙ্গে আনা শুকনো চাল ভিজিয়ে, খেয়ে বাড়ি ফিরলেন।
অতীতের সেই প্রয়োজনীয়তা এখন আর না থাকলেও 'রিয়াজ' খাওয়া এখন উৎসবে রূপ নিয়েছে। এখন শুধু যারা হরি নাম সংকীর্তন শুনতে এসেছেন তা নয়, দ্বারকেশ্বরের লোকেরা যারা হরি নাম সংকীর্তন শুনতে এসেছেন তাদের তালিকায় রয়েছে। আমার সাথে চড়ুন। মধ্য শীতের সূর্যের কাছে হাঁটু গেড়ে বসে মুড়ি খান। চুল বৃদ্ধির উপাদান হিসেবে তারা চাপাতি, বেগুনী বা অন্য কোনো তেল নিয়ে আসে। আছে লঙ্কা, হলুদ, পেঁয়াজ, নারিকেল, নারিকেল, টমেটো, চানাচুর, তিল, নারিকেল, নারিকেল ইত্যাদি।
মা শ্রম কমিটির সদস্য ও এই মুদ্দি মেলার সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী চাঁদ বলেন, এখানে অনেক মানুষের সমাগম হয়েছে এবং আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা পেয়েছি। প্রতি বছরের মতো এবারও মেলা চলবে বলে তিনি আশাবাদী।
এই মেলার উন্নতি হচ্ছে, কেউ প্রথমবার বা কেউ প্রতি বছর। তাই তাদের এই মেলা আয়োজনের ইচ্ছা স্পষ্ট।
বাইট:- ১)পার্থ চন্দ (মেলা কমিটির কনভেনার) ২)তানিয়া খাঁ (আগত পুন্যার্থী) ৩)মল্লিকা গরাই(আগত পুন্যার্থী) ৪)চন্দন চ্যাটার্জী(আগত পুন্যার্থী)

