লিলটু বাউরি, আসানসোল
খোলা মুখ খনি থেকে কয়লা সংগ্রহ করতে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। হাতির খোলা মুখ খুঁজতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আসানসোল বিপর্যয়ের পর পশ্চিমবঙ্গের রানিগঞ্জে আইসিএল-এর পরিত্যক্ত খনি থেকে কয়লা সংগ্রহ করতে গিয়ে দু'জনের মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ দায়েরের সময় মাটির নিচে চাপা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। এই ঘটনা তীব্র প্রতিবাদের জন্ম দেয়।
সোমবার সকালে আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্র পাল, স্থানীয় সিপিএম শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এবং টিএমসি নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। অভিযোগ: রবিবার রাতে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা কয়লা সংগ্রহ করতে আইসিএল খুলতে বা বন্ধ করতে রানীগঞ্জে যান। কয়লা খনিতে আটকে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের নাম বিনোদ ভূবিয়া ও রাজেশ তুরি বলে জানা গেছে। তাই এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আহতের নাম রাম প্রবেশ বার্নিওয়াল, মাটি শুকিয়ে গেছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটি জানতে পেরে খনি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে।
অন্যদিকে এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক রঙ দেখা দিতে শুরু করে। স্থানীয় সিপিএম নেতা সুপ্রিয়া রাই এবং বাম কর্মীরা দলীয় পতাকা নিয়ে শহরে বিক্ষোভ শুরু করেন। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখায় তৃণমূল। অন্যদিকে, আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্র পাল খানি ও এলাকায় পৌঁছেছেন। তবে এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

