Nirbhik Bangla
আসানসোল

মন্দির কমিটি প্রদত্ত জমি দখলের অভিযোগ, আসানসোলে তীব্র গণবিক্ষোভের মুখে বিজেপি নেত্রী

নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
২৬ আগস্ট, ২০২৬ এ ১১:৩০ AM
WhatsApp
মন্দির কমিটি প্রদত্ত জমি দখলের অভিযোগ, আসানসোলে তীব্র গণবিক্ষোভের মুখে বিজেপি নেত্রী
Nirbhik Bangla Photo
আসানসোল: জমি দখলের গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোল। হিরাপুর থানার অন্তর্গত ইসমাইলের সহযোগী নগর এলাকায় এক বিজেপি নেত্রীকে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ও রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সহযোগী নগর এলাকায় একটি মন্দিরের ঠিক সামনে অবস্থিত একটি জমি জবরদখল করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ ওঠে। এলাকাবাসীদের দাবি, এই বেআইনি জমি দখল চেষ্টার নেপথ্যে মদত রয়েছে বিজেপির আসানসোল সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক কাকলি ঘোষের। এই অভিযোগ চাউর হতেই মুহূর্তের মধ্যে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা দলবদ্ধভাবে ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন।

অভিযোগ সামনে আসতেই বিজেপি নেত্রী কাকলি ঘোষের মুখোমুখি হন এলাকাবাসীরা। শুরু হয় তীব্র কথাকাটাকাটি ও বচসা। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং স্থানীয়রা নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ঘটনাস্থলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে।

পরিস্থিতি অবনতি হতে দেখে দ্রুত খবর পাঠানো হয় স্থানীয় হিরাপুর থানায়। পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চালায়।

অন্যদিকে, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা এই বিষয়ে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে ফোন করে গোটা বিষয়টি জানান। এলাকাবাসীদের স্পষ্ট দাবি, যে জমিটি নিয়ে এত বিবাদ, সেটি আসলে একজন ব্যক্তিগত মালিকের সম্পত্তি। কিন্তু সেই মালিক উদার হয়ে জমিটি মন্দির কমিটিকে দান বা অর্পণ করেছেন। ফলে সেই জমিতে মন্দির সংশ্লিষ্ট কাজ বা তার রক্ষণাবেক্ষণ হওয়াই বাঞ্ছনীয়, সেখানে কোনোমতেই দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

যদিও সমস্ত অভিযোগ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিজেপি নেত্রী কাকলি ঘোষ। তাঁর দাবি, তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে, তেমনই শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। পুলিশ পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে এবং এলাকায় বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। - শ্যাম দাস, আসানসোল।
ট্যাগসমূহ:Nirbhikbangla
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক
নির্ভীক বাংলা নিউজ ডেস্ক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্ভীক বাংলা।

WhatsApp
১২ মন্তব্য